প্রকাশিত:
৩০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৯
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কার ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গত রাতে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এক নাটকীয় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে যুক্তি-তর্ক ও পাল্টা যুক্তির লড়াই চলে।
বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশের সবকটি যাচাই করা হয়েছে। অনেকগুলো বর্তমান রূপেই পাস হবে, আবার কিছু সংশোধিত আকারে বিলে পরিণত হবে। তবে গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এর কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় এটি আর আইনে রূপান্তরের দরকার নেই।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান সরকারের এই অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “গণভোটের সাথে জাতি জড়িত। এটি বাতিল করা জনগণের ম্যান্ডেটকে অপমান করা।” বিশেষ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং পুলিশ কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব করার যে কোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে তারা সংসদে রুখে দাঁড়াবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
বৈঠকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, চিফ হুইপ নূরুল ইসলামসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব বিষয়ে একমত হওয়া যায়নি, সেগুলো আগামী ২ এপ্রিল সংসদ অধিবেশনে আলোচনার জন্য তোলা হবে। ফলে সংসদের আগামী অধিবেশন যে বেশ তর্ক-বিতর্কপূর্ণ হতে যাচ্ছে, তা অনেকটাই নিশ্চিত।
মন্তব্য করুন: