প্রকাশিত:
১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৯
দেশের উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচির ঐতিহাসিক গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে বর্তমান সরকার। পাঁচ দশক আগে যে উদ্যোগ কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় বিপ্লব ঘটিয়েছিল, তা আবারও নতুন পরিকল্পনায় বাস্তবায়নের পথে।
১৯৭৬ সালে যশোর অঞ্চলে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে যে কর্মসূচির সূচনা হয়েছিল, তা পরবর্তীতে দেশের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আরও বৃহৎ পরিসরে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছেন। দিনাজপুরে উদ্বোধনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষার পানি সংরক্ষণ, সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং গ্রামীণ যোগাযোগ সহজ করা। বিশেষ করে কৃষিনির্ভর অঞ্চলে এর প্রভাব হবে সবচেয়ে বেশি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খালগুলো পুনরুদ্ধার হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। পাশাপাশি নৌপথ ব্যবস্থাও কিছু ক্ষেত্রে পুনরুজ্জীবিত হতে পারে।
এভাবে ঐতিহ্য ও আধুনিক পরিকল্পনার সমন্বয়ে দেশের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন: