প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। টানা ১৩ দিনের হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে।
যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে বড় হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং আরও বহু শীর্ষ কর্মকর্তা।
তবে এত বড় ধাক্কার পরও ইরানের সরকার টিকে গেছে।
খামেনির মৃত্যুর পর নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব নেন মোজতবা খামেনি। এমনকি ভবিষ্যতে নেতৃত্বের বিকল্প ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন তাদের সামরিক কৌশল পরিবর্তন করছে।
নতুন পরিকল্পনায় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর বিদ্রোহ উসকে দেওয়া এবং ইরানের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করা হতে পারে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে সামনে এসেছে ‘দাহিয়া নীতি’।
এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশলের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়।
ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর সাম্প্রতিক হামলা এই কৌশলেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
পরিস্থিতি যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য করুন: