প্রকাশিত:
১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫৬
দিনের শেষে বিছানায় শুয়ে ফোন স্ক্রল করা এখন অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে এই অভ্যাসের প্রভাব শুধু চোখের ক্লান্তিতে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ধীরে ধীরে ঘুম, মানসিক স্থিতি ও শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো দিনের আলোর মতো কাজ করে। এতে মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণ ব্যাহত হয়। ফলে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং ঘুমের মান কমে যায়।
রাতে অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারে অনিদ্রার লক্ষণ বেড়ে যায়। এমনকি বিছানায় শুয়ে এক ঘণ্টা অতিরিক্ত স্ক্রিন দেখলে ঘুমের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। মাঝরাতে ফোন ধরার অভ্যাস ঘুমের গভীরতা নষ্ট করে, যা শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের ঘাটতি মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা ও আবেগগত ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন খারাপ ঘুম চলতে থাকলে ওজন বৃদ্ধি, হরমোনের অসামঞ্জস্য এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
সুস্থ ঘুমের জন্য রাতের নির্দিষ্ট সময়ের পর ফোন ব্যবহার সীমিত করা জরুরি। ফোন থেকে দূরে থেকে বই পড়া, হালকা আলোতে বিশ্রাম নেওয়া কিংবা নিরব পরিবেশে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুললে ঘুম ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি সম্ভব।
মন্তব্য করুন: