শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ত্রয়োদশ নির্বাচন সামনে রেখে ৮ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:০৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে বড় পরিসরে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে, যা চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকা প্রায় ৮ লাখের বেশি কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। আগের দুই জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এবার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা নির্বাচন পরিচালনায় ইসির বাড়তি প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্রায় ৬ লাখ কর্মকর্তা এবং দ্বাদশ নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ ৮৮ হাজার। সেই তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিধি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা সংক্রান্ত আপিল নিষ্পত্তি হবে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরদিন, অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ভোটের আগের দিন সকাল পর্যন্ত।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর