প্রকাশিত:
১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:০৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে বড় পরিসরে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে, যা চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকা প্রায় ৮ লাখের বেশি কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। আগের দুই জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এবার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা নির্বাচন পরিচালনায় ইসির বাড়তি প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্রায় ৬ লাখ কর্মকর্তা এবং দ্বাদশ নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ ৮৮ হাজার। সেই তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিধি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা সংক্রান্ত আপিল নিষ্পত্তি হবে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরদিন, অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ভোটের আগের দিন সকাল পর্যন্ত।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন: