শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

চলতি মাসেও দলিল থাকলেও বাতিল হচ্ছে ৫ ধরনের জমির মালিকানা!

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৪১

ভূমি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি-বেসরকারি জমি থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে নতুন কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। সরকারি পরিপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্রচলিত নীতি ‘দলিল যার, ভূমি তার’ সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই বৈধ দলিল থাকলেও মালিকানা বা দখলের আইনগত ভিত্তি থাকে না।

এই নতুন নির্দেশনার আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ ধরনের জমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হবে। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব জমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হবে, সেগুলোর প্রধান পাঁচটি ধরন হলো—

সাব-কবলা দলিল: উত্তরাধিকার বণ্টন না করে তৈরি করা দলিল, যার মাধ্যমে কোনো বৈধ ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

হেবা দলিল: দাতার সম্পূর্ণ মালিকানা না থাকা বা দানের শর্ত ভঙ্গ করার কারণে তৈরি হওয়া দলিল।

জাল দলিল: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মাধ্যমে তৈরি করা জাল দলিল ব্যবহার করে দখল করা সম্পত্তি।

খাস খতিয়ানের সম্পত্তি: সরকারি খাস জমি যা অবৈধভাবে নিজের নামে বিক্রি করা হয়েছে।

অর্পিত সম্পত্তি: যুদ্ধ-পরবর্তী পরিত্যক্ত জমি যা ব্যক্তিগতভাবে অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, এই ধরনের জমি শুধু আদালতের রায়ের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা যেতে পারে। ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সরকারের সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর