শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

৪৩তম বিসিএস: চাকরি হারালেন তিন সহকারী কমিশনার, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই কারণ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:১১

বনিয়াদি প্রশিক্ষণরত বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের তিন শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনারকে সরকারি চাকরি থেকে অপসারণ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁদের নিয়োগের অবসান ঘটানো হয়। তাঁরা তিনজন হলেন কাজী আরিফুর রহমান (ফরিদপুর), অনুপ কুমার বিশ্বাস (বগুড়া) ও নবমিতা সরকার (পিরোজপুর)। তাঁরা নিজ নিজ জায়গায় সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকার পাশাপাশি সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১–এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসান করা হয়েছে। ওই বিধি অনুসারে, শিক্ষানবিশির মেয়াদে কোনো কর্মকর্তাকে ‘সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য’ মনে হলে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ ছাড়াই নিয়োগ বাতিল করা যায়।
তবে কোন কারণ দেখিয়ে তিন সহকারী কমিশনারকে অযোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে সেটি উল্লেখ নেই।

এ ছাড়া তিন সহকারী কমিশনারের কাছে সরকারের কোনো আর্থিক পাওনা থাকলে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩ অনুযায়ী তা আদায়যোগ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।

অপসারিত হওয়া কর্মকর্তাদের একজন কাজী আরিফুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার বলেন, ‘বনিয়াদি প্রশিক্ষণ চলাকালে গতকাল বিকেলে আমাকে প্রজ্ঞাপনটি জানানো হয়। কোনো কারণ উল্লেখ নেই। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’ তিনি জানান, সরকারি চাকরিতে এটি তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা নয়। এর আগে ৪১তম বিসিএসে রেলওয়ে ক্যাডারে প্রথম হয়েছিলেন তিনি এবং প্রায় দেড় বছর সরকারি চাকরিতে যুক্ত ছিলেন। পরে ৪৩তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে ২০তম হয়ে উত্তীর্ণ হন। নিজের পারিবারিক পরিস্থিতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। বাবা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। কারণ না জানিয়ে এভাবে অপসারণ করায় আমি ও আমার পরিবার মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি।’

এ বিষয়ে জানতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হকের দপ্তরে ফোন করা হলে সেখানে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, সচিব প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে রয়েছেন। ব্যক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও এই প্রতিবেদন (বেলা সোয়া তিনটা) লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর