শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

গাজা সীমান্তে সামরিক ঘাঁটি তৈরীর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০

ফিলিস্তিনের গাজা সীমানায় বড় একটি সামরিক ঘাঁটি বানানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ইসরায়েলি অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ‘শরিম’ জানিয়েছে, এই ঘাঁটি নির্মাণে প্রায় ‘৫০ কোটি ডলার’ খরচ হতে পারে। 

 
ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আমেরিকার তৈরি এই ঘাঁটি ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের সরাসরি সমন্বয় ছাড়াই কাজ করার ক্ষমতা দেবে এবং পরিস্থিতি নিজেদের মতো গঠন করার সুযোগ তৈরি করবে। গত সপ্তাহে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমেরিকার একটি প্রতিনিধি দল সম্ভাব্য স্থান নিয়ে আলোচনাও করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের গাজায় চলমান ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ নিয়ে বৈশ্বিক ক্ষোভ যখন তীব্র হচ্ছে, তখন এই পরিকল্পনা প্রকাশ্যে এলো। তাদের মতে, ইসরায়েল হয়তো সাময়িকভাবে আন্তর্জাতিক চাপ কমাতে তার মিত্রদের মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করছে।

নভেম্বরের শুরুতে গাজার হামাস আন্দোলনের সিনিয়র নেতা মুসা আবু মারজুক আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘আমরা এমন কোনো সামরিক বাহিনী মেনে নিতে পারি না, যা গাজায় দখলদার সেনাবাহিনীর বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।’

এর আগে ওয়াশিংটন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব এনেছিল, যেখানে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)’ নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়। এই বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, কাতার ও মিশরের নেতৃত্বে গঠিত হওয়ার কথা এবং সেখানে বলা হয়েছিল যে, এই বাহিনী অন্তত দুই বছর গাজায় অবস্থান করবে। 

সমালোচকদের মতে, পুনর্গঠন ও নিরাপত্তার অজুহাতে মূলত গাজাকে ‘অস্ত্রহীন’ করা ও প্রতিরোধ আন্দোলনের কাঠামো ভেঙে ফেলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। সমালোচকরা মনে করেন, এই পরিকল্পনা ইসরায়েলি দখলদারিত্ব, যুদ্ধাপরাধের দায়বদ্ধতা, এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণের অধিকারের মতো আসল সমস্যাগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করছে। এরমাঝেই নতুন করে মার্কিন ঘাঁটি বানানোর খবর আসায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর