শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

‘পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম, দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪৩

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক নবজাতক কন্যাশিশুকে ফেলে রেখে গেছেন তার স্বজনেরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশু ওয়ার্ডের এক বেডে নবজাতকটিকে রেখে পালিয়ে যান তারা।

শিশুটির বিছানার পাশে থাকা একটি বাজারের ব্যাগে ওষুধ, কাপড়চোপড়সহ একটি চিরকুট পাওয়া যায়, যাতে লেখা ছিল— ‘আমি মুসলিম, আমি একজন হতভাগী। পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম। দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন। বাচ্চার জন্মতারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার।’

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়। রেজিস্টারে তার মা ইনছুয়ারা, বাবা শাহিনুর, ঠিকানা আলাদিপুর, ফুলবাড়ী—এমন তথ্য লেখা হয়। হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক গোলাম আহাদ জানান, পঞ্চাশোর্ধ্ব এক দম্পতি নবজাতকটিকে নিয়ে এসে নিজেদের শিশুটির নানা-নানি হিসেবে পরিচয় দেন। চিকিৎসকরা শিশুটির মায়ের খোঁজ চাইলে তারা বলেন, মা নিচে আছেন। পরে মাকে আনতে যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যান, কিন্তু আর ফেরেননি। কিছুক্ষণ পরই শিশু ওয়ার্ডের বাইরে এক বেডে নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখেন অন্যরা।

চিকিৎসক গোলাম আহাদ বলেন, নবজাতকটি স্বাভাবিক প্রসবের নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মেছে, তবে এখন সুস্থ আছে। তাকে ওয়ার্মারে রাখা হয়েছে এবং ফটোথেরাপি দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের অন্য মায়েদের কাছ থেকে শিশুটিকে বুকের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে।

শুক্রবার দুপুরে খবরটি জানাজানি হলে শিশুটিকে দত্তক নিতে হাসপাতালে ভিড় করেন অনেকেই। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং দত্তক প্রক্রিয়া নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর