বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

পাকিস্তানের দেখা মিললো বিরল প্রজাতির ক্যারাকাল বিড়াল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:৫৭

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ সাঈদ উল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা মূলত তাদের ভেড়া, ছাগল বা অন্যান্য ছোট প্রাণীকে রক্ষা করতে বা শিকারের প্রতিশোধ নিতে ক্যারাকালকে হত্যা করে। এছাড়া অবৈধ পোষা প্রাণীর বাণিজ্যও প্রাণীটির জন্য আরেকটি বড় হুমকি। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানে এই প্রাণীটির সংখ্যা এক হাজারের নিচে, সম্ভবত কয়েকশতে নেমে এসেছে।

সিন্ধুর বন্যপ্রাণী বিভাগের সংরক্ষক জাভেদ মাহার-এর মতে, সরকারি তথ্যের অভাবে সঠিক সংখ্যা জানা কঠিন, তবে একটি অনুমান অনুযায়ী এদের সংখ্যা ১০০ থেকে ২০০ এর মধ্যে।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই অঞ্চলে সক্রিয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ গোষ্ঠী ইনডাস ফিশিং ক্যাট প্রজেক্ট (আইএফসিপি)-এর প্রধান জাফির আহমদ শাইখ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের যে কয়েকটি অঞ্চলে এখনও মারাত্মক বিপন্ন ক্যারাকাল প্রজাতিটি টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে, তার মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশের চোলিস্তান মরুভূমি, সিন্ধুর কীরথার রেঞ্জ এবং কেন্দ্রীয় ও দক্ষিণ বালুচিস্তানের পার্বত্য এলাকা। মূলত এই দুর্গম এলাকাগুলোতেই প্রাণীটি তার আবাসস্থল হারিয়ে যাওয়া এবং অবৈধ শিকারের চাপ সামলে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে।

তিনি আরও জানান, জানুয়ারি মাসে দিনের আলোতে একটি ক্যারাকালকে রাস্তা পার হতে দেখার খবরের ভিত্তিতে তারা ক্যামেরা ট্র্যাপ স্থাপন করেন। ক্যারাকালের এটিই বহু বছরের মধ্যে প্রথম ক্যামেরা ট্র্যাপ রেকর্ড।  দু’সপ্তাহে প্রায় ৪০০টি ক্লিপ সংগৃহীত হলেও একটিতেই এই বিরল পুরুষ ক্যারাকালটিকে দেখা যায়।

ডব্লিউডব্লিউএফ পাকিস্তান -এর কর্মকর্তা জামশেদ চৌধুরী সহ বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, শিকারী হিসেবে ক্যারাকাল পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইঁদুর ও ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে তারা বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

আইনগত সুরক্ষা থাকা সত্ত্বেও ক্যারাকালের সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের অভাব রয়েছে। তাই পরিবেশবিদরা মনে করছেন, এই বিরল প্রাণীটিকে বাঁচাতে হলে আইন প্রয়োগকে কঠোর করার পাশাপাশি এর সংরক্ষণকে মূলধারার বন্যপ্রাণী সুরক্ষা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। ক্যারাকালকে রক্ষা করা গেলে তা পুরো বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর