শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

প্যারিসে আন্তর্জাতিক বস্ত্র মেলা টেক্সওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশের ১৯ প্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:২৪

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক বস্ত্র ও ফ্যাশন শিল্পের অন্যতম বড় আয়োজন ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৫’।সোমবার সকালে প্যারিস শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত প্যারিস-লা বোর্জে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আন্তর্জাতিক এই মেলায় একত্রিত হয়েছেন বিশ্বব্যাপী ফ্যাব্রিক, পোশাক, অ্যাকসেসরিজ ও সোর্সিং সেক্টরের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘মেসে ফ্রাংকফুর্ট ফ্রান্স’ জানিয়েছে ফ্যাশন ও টেক্সটাইল শিল্পের জন্য এই প্রদর্শনী শুধু ব্যাবসায়িক সুযোগ তৈরিই করে না বরং ভবিষ্যৎ ট্রেন্ড ও টেকসই উৎপাদনের পথও নির্দেশ করে।

এবারের আয়োজনে বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ঘটছে। প্রদর্শনীতে মূলত পোশাক, কাপড়, চামড়াজাত পণ্য ও আধুনিক প্রযুক্তি স্থান পেয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে চীন, ভারত, তুরস্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকংসহ শীর্ষ টেক্সটাইল উৎপাদনকারী দেশগুলো। এ ছাড়া বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোও এবারের মেলায় শামিল হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাধ্যমে ৬টি এবং বেসরকারি উদ্যোগে ১৩টি মোট ১৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

এবারের প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ হলো ২০২৬-২০২৭ সালের শরৎ-শীতকালীন ফ্যাশন সংগ্রহের অনুপ্রেরণামূলক ধারণা। পাশাপাশি টেকসই ফ্যাশন ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন নিয়ে বিশেষ সেশন। ফলে ফ্যাশনশিল্পের ভবিষ্যৎ প্রবণতা ও ব্যাবসায়িক দিকনির্দেশনা পেতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফরমে পরিণত হয়েছে।

ইউরোপের বৃহৎ এই ফ্যাশন সোর্সিং ইভেন্টে ক্রেতা, ব্র্যান্ড ও ডিজাইনাররা সরাসরি উৎপাদকদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। মেলাটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং প্রবেশে কোনো ফি নেই।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর