শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

জিল্লুর রহমান

অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধানের মৌলিক রদবদল করার ম্যান্ডেট রাখে না

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৫৩

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধানের মৌলিক রদবদল করার ম্যান্ডেট রাখে না।

তাদের কাজ সংস্কারের খসড়া তৈরি, আলোচনার প্ল্যাটফর্ম, প্রশাসনিক স্বাভাবিকতা ফেরানো এর বেশি নয়। তাই আগামী নির্বাচনেই হঠাৎ করে আনুপাতিক পদ্ধতি চালু এটা প্রায় অবাস্তব।

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন। জিল্লুর রহমান বলেন, আস্থা একবার ভাঙলে ওটা আর ঘোষণায় জোড়া লাগে না। অন্তর্বর্তী সরকারের একটি মৌলিক কাজ ছিল পুলিশকে শাস্তিমুখী রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে প্রকৃত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনা। টহলে গেলে তারা যেন সংখ্যায় কম না থাকে। সুরক্ষিত থাকে।

ঘটনাস্থলে ভিডিও অডিও উপস্থিতি থাকে। অপারেশনাল প্রোটোকল যেন হয় স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক।
তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়কে দৃশ্যমান নিরাপত্তা দিতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে রাষ্ট্র তাদের পাশে আছে। সমান্তরালে নাগরিকদের দিকেও বার্তা যেতে হবে।

মব জাস্টিস স্বাভাবিক নয় বরং শাস্তিযোগ্য। সমস্যার সমাধান আইনের পথে। আইনশৃঙ্খলার এই সামাজিক কন্ট্রাক্টটাই এখন ভেঙে আছে।

জিল্লুর আরো বলেন, রাজনীতির ময়দানে একসঙ্গে চলছে আরেক টানাপোড়েন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন কোটা সংস্কার থেকে হাসিনা সরকারের পদত্যাগে পৌঁছালো তখনও কারো মুখে আনুপাতিক ভোট ব্যবস্থার কথা শোনা যায়নি।

রাজনৈতিক হিসাব সোজা, যে দল আসনভিত্তিক ভোটে পিছিয়ে পড়বে তারা চায় ভোটের অনুপাতে আসন বন্টন হোক। যারা শক্তিশালী তারা চায় বর্তমান সিস্টেমে নির্বাচন হোক।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর