বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

সরকার চায় ‘মব’ থাকুক : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৭

সরকার চায় মব থাকুক, এতে সরকারের অনেক লাভ। সরকারের মদতেই মব হচ্ছে। সম্প্রতি এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।

মব প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেশের অবস্থা শেষ। আপনি দেখেন ৩৭০টা না ৩৮০ টা মব হয়েছে গত ৩৬৫ দিনে। ৩৭০টা মব যদি ৩৬৫ দিনে হয়, ওই দেশে তো পাগলও বিনিয়োগ করবে না। ওই দেশে তো পাগলও বাস করতে চাইবে না।

গত ৪০ বছরে একটা ভয়াবহ রকম ব্রেইন ড্রেন হয়ে গেছে বাংলাদেশ থেকে। শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ সন্তান দেশের বাইরে চলে গেছে। সেটল হয়ে গেছে ওখানে। যে কয়জন শিক্ষিত পরিবার আছে তারাও আমি শুনি। আমার কানে তো আসে। কথা হয় না। বন্ধুবান্ধবের মধ্যে তো কথা হয়। তারা দেশ ছেড়ে দিতে চাইছে।’

বর্তমান সরকার মবকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে অভিযোগ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই যে ৩৬৫ দিনে ৩৭০টা মব হলো তার কারণ কি জানেন? কারণ সরকার ভেতর থেকে চায় মবটা থাকুক।

এতে সরকারের অনেক লাভ। এই সরকারের তো কোনো তৃণমূলের কর্মী বাহিনী নাই। সরকারের তো কোনো দল নাই। সরকারের তো কোনো অঙ্গসংগঠন নাই। সরকার তাদের প্রয়োজন মতো যেই কাজটা করতে চায় কিন্তু করতে পারে না, মব দিয়ে সেই কাজটায় প্রেসার তৈরি করার একটা ভান করে। শাহবাগে বসে, যমুনার সামনে বসে, সরকার সেই কাজটা করে।’

মব রুখতে নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন উল্লেখ করে রুমিন বলেন, ‘গতকালকেই আমার সাথে একজন সাংবাদিকের কথা হলো। তিনি বললেন প্রতি কয়েক ঘন্টার মধ্যে একজন মানুষ খুন হচ্ছে। ওনার এই রিপোর্টে এসেছে। এই বাংলাদেশে আসলে মানে কোনো স্বস্তি তো নাই। এই সরকার তো স্বস্তি দিতে পারছেন একেবারে প্রাথমিক স্বস্তি যেটা আর কিছু দরকার নাই।

নির্বাচন হলে সকল সমস্যার সমাধান হবে সেটা বলছি না। তবে নির্বাচন হলে আপনি একটা জবাবদিহিতামূলক সরকার পাবেন। নির্বাচন হলে একেবারে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত একটা চেইন অফ কমান্ড প্রতিষ্ঠা হবে। নির্বাচন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানবে যে কারা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত এবং যে দলটি নির্বাচিত হয়ে আসবে তারা যদি শক্ত অবস্থান নেয় যে আমরা অপরাধের পরিচয় দেখব না, আমরা অপরাধীর আর্থিক সামাজিক রাজনৈতিক পরিচয়ের দিকে বায়াসড হবো না। আমরা প্রশাসনকে দিয়ে শক্ত অ্যাকশনে যাব। সেটা যেই দলে নির্বাচিত হয়ে আসুক ক্ষমতায় যাক। তারা যদি শক্ত স্ট্যান্ডটা নেয়, বিশ্বাস করেন দেশের চেহারা পাল্টাতে বেশিদিন লাগবে না।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর