শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

গণশিক্ষা উপদেষ্টা

উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যেও দক্ষতার অভাব রয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৪২

দেশের উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যেও দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ের চাকরির জন্য অনেক গ্র্যাজুয়েট এবং মাস্টার্স ডিগ্রিধারী আবেদন করছেন। এতে বোঝা যায়, শিক্ষা এখনো শ্রমবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ফোকাস হতে হবে সাক্ষরতা ও প্রাথমিক স্তরে শিশুদের ভিত্তিমূলক শিক্ষা।

তিনি বলেন, সাক্ষরতার বিস্তারে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল সাক্ষরতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। একজন শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষে যেন মাতৃভাষায় সাবলীলভাবে পড়তে, বুঝতে ও সহজভাবে লিখতে পারে এবং প্রাথমিক গাণিতিক নিয়ম আয়ত্ত করতে পারে এটিই এখন প্রধান লক্ষ্য।

তিনি উল্লেখ করেন, ভর্তি হার বেড়েছে, ঝরে পড়ার হারও কম নয়। দারিদ্র্যকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বোর্ড (বিএনএফ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ‘স্কিল ফর প্রজেক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে ঝরে পড়া শিশুদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে যুক্ত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল মিলেছে।

প্রযুক্তি ও কর্মভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতির অগ্রগতির জন্য কর্মমুখী শিক্ষা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা অপরিহার্য।

’ প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘শুধু শিক্ষা নয়, শিল্প ও ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই জাতির উন্নতি সম্ভব।’

তিনি আরো বলেন, মানসিকতার পরিবর্তন না হলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। শিক্ষায় মৌলিক পরিবর্তন আনার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর