বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

পঞ্চগড়ে তাস খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে নিরাপত্তা প্রহরীকে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮

তাস খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে পঞ্চগড়ের টুনিরহাট বাজারের নিরাপত্তা প্রহরী রফিকুল ইসলামকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় এক মাস পর অভিযুক্ত আরমান ইসলাম আমজাদকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন তিনি। পরে তাকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।

আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী। গতকাল সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের সাহেববাজার এলাকার আরমানের শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরমান পঞ্চগড় সদর উপজেলার টুনিরহাট প্রধানপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, হত্যার শিকার নিরাপত্তা প্রহরী বৃদ্ধ রফিকুল ইসলাম ডুবু (৭০) দীর্ঘদিন ধরে টুনিরহাট বাজারের মাহবুব আলম প্রধানের খড়ি ঘরে থাকতেন।

বাজারের কাছেই তার বাড়ি। বৃদ্ধ বয়সেও জুয়া খেলা ছিল তার নেশা। গত ৪ আগস্ট দিবাগত গভীর রাতে টুনিরহাট বাজারেই অভিযুক্ত আরমানের সঙ্গে তাস খেলতে শুরু করেন তিনি। খেলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে চাল নিয়ে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

আরমান টাকা নিয়ে চলে যেতে চাইলে বৃদ্ধ রফিকুল সুপারি কাটার জন্য ব্যবহৃত চাকু দিয়ে তার পিঠে আঘাত করেন।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আরমান ওই চাকু কেড়ে নিয়ে রফিকুলকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। পরদিন তার গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় ওই দিনই নিহতের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করেন।

’তিনি আরো বলেন, ‘সম্প্রতি যে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তার বেশির ভাগই রহস্য উন্মোচনসহ আমরা আসামিদের গ্রেপ্তার করেছি। শিগগিরই আরো দুটি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। ওই বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আমরা তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিকে শনাক্ত করি। এরপর তার ওপর নজরদারি করা হয়। গ্রেপ্তারের দিন তার ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ ঠিক সময়েই তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর