শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

পাবনায় ট্রিপল মার্ডার মামলায় পালক ছেলের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৫ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:১৪

পাবনায় বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় অভিযুক্ত পালক ছেলে তানভীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।

সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে পাবনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. তানভীর আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত তানভীর নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে। তিনি ওই হত্যাকাণ্ডের সময় পাবনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মসজিদের ইমাম ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম সরোয়ার খান জুয়েল বলেন, ‘২০২০ সালের ৩১ মে রাতে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার লুটের জন্য তানভীর তার পালক বাবা, মা ও বোনকে ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে হত্যা করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।’

প্রসঙ্গত, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী ছুম্মা খাতুন নিঃসন্তান ছিলেন। পরে সানজিদা নামের এক শিশুকে দত্তক নেন তারা। এক পর্যায়ে বাসার পাশের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মসজিদের ইমাম তানভীরকে নিজেদের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেন ওই দম্পতি।

২০২০ সালের ২৯ মে ছুটিতে নিজের গ্রামের বাড়ি হরিপুরে যায় তানভীর। ছুটি শেষ হওয়ার আগেই ৩১ মে তিনি পাবনায় ফিরে আসেন।

ওইদিন রাতে আব্দুল জব্বারের বাড়িতে অবস্থান নেয় তানভীর। রাত ২টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় আব্দুল জব্বার, তার স্ত্রী ছুম্মা খাতুন ও পালক মেয়ে সানজিদাকে (১২) কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি। পরে রক্তমাখা কাপড়চোপড় ধুয়ে নগদ দুই লাখ টাকা, এক লাখ ভারতীয় রুপি ও স্বর্ণের গহনা নিয়ে বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান তানভীর। ওই ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল কাদের বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছিলেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর