প্রকাশিত:
২০ আগষ্ট ২০২৫, ১৫:৪৬
দেশে চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন হওয়ার পরও বাজার স্থিতিশীল রাখতে চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।
তিনি বলেছেন, শুধু মানুষ নয়, হাঁস-মুরগি, গরু এবং মাছও চাল খায়। চালের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে এখনও বাজার সহনশীল রয়েছে। সরকার প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে ২০ থেকে ২৫ টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকে।
বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর সার্কিট হাউজে চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা খাদ্য বিভাগ আয়োজিত মতবিনিময়সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, লাইসেন্স এবং এতে উল্লেখিত শর্ত ছাড়া যারা খাদ্য মজুত করবেন, তাদের এবং চাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে খাদ্য বিভাগের অনেক ডিসিফুড ও আরসিফুডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশে ৫৫ লাখ মানুষ ছয় মাস ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। যার মধ্যে সাড়ে ৯ লাখ মানুষ রংপুর বিভাগের। এটা বিতরণে বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই। আমরা এবার স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি ধান চাল সংগ্রহ করেছি।
দিনাজপুরেও সংগ্রহ শতভাগ হয়েছে। উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা যখন ধান চাল সংগ্রহ করছিলাম তখন বাজারে দাম বেড়েছিল। বর্তমানে আমরা সংগ্রহ শেষ করেছি, বাজারে বাজারে ছাড়ছি এবং চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। ইতোমধ্যে চাল আসতে শুরু করেছে। বাজার সহনশীল থাকবে।
রংপুর বিভাগীয় কমিশনার এনডিসি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছনাত হুমায়ন কবীর। এ ছাড়াও রংপুর বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আট জেলার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন: