শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

শিশুকে হত্যার পর মরদেহ গুম : চাচির যাবজ্জীবন, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ আগষ্ট ২০২৫, ১৫:১৯

কুমিল্লার তিতাসে চাচির অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় ৭ বছরের শিশু সায়মনকে হত্যা ও গুমের ঘটনায় বিল্লাল পাঠান নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। এ ঘটনায় নিহতের চাচি শেফালী বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. ইকরাম হোসেন কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট বিকালে সায়মন মায়ের সাথে তিতাসের বাতাকান্দি বাজারে যায়। পরে বাড়ি ফেরার পথে সায়মন নিখোঁজ হয়। ঘটনার দুই দিনপর ১৮ আগস্ট সন্ধান চেয়ে তিতাস থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে।

১৯ আগস্ট সকালে বজলুর রহমানের বালুর মাঠের ঝোপের ভেতর থেকে সায়মনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার চাচি শেফালী বেগম এবং অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের তদন্তে বিল্লাল পাঠানের নাম উঠে আসে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে আসামি শেফালী বেগম ও বিল্লাল পাঠানকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযোগ পত্র দায়ের ও দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি বিল্লাল পাঠানকে মৃত্যুদণ্ড এবং সায়মনের চাচি শেফালী বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদেরকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দুইজনকেই লাশ গুমের অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার সাজাও ঘোষণা করেন বিচারক।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. ইকরাম হোসেন বলেন, চাচি শেফালী বেগমের সাথে বিল্লাল পাঠানের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় শিশু সায়মনকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত সাময়নের মা খোরশেদা আক্তার বলেন, আমি আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট।

তবে রাষ্ট্রের কাছে দাবী আমার সন্তান হত্যাকারীদের শাস্তি যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়। যা দেখে দেশের মানুষ সতর্ক হতে পারে এবং এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর