শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৬:২৪

আবাসন ব্যবস্থা বা বিকল্প হিসেবে আবাসন ভাতা নিশ্চিত করার দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

রবিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয় এবং আড়াইটা নাগাদ ভবনের সব গেটে তালা দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা এ সময় স্লোগান দেন— ‘আবাসন ভাতা দে, নইলে গদি ছাইড়া দে’, ‘চবির অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আবাসন আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ ইত্যাদি।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রবিউল হাসান সাফি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শহর থেকে দূরে হওয়ায় প্রতিদিন শাটলের ওপর নির্ভর করতে হয়।

ট্রেনের সমস্যায় অনেকেই ক্লাসে আসতে পারেন না। তাই সবার জন্য হলে আবাসন নিশ্চিত করা কিংবা বিকল্প হিসেবে আবাসন ভাতা দেওয়া জরুরি।

ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী আসমানি বিনতে তাজবী অভিযোগ করেন, সুপারিশপত্রসহ আবেদন করেও সিট পাননি। বরাদ্দে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকে একা রুম দখল করে রেখেছেন।

আরবী বিভাগ ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন বলেন, ‘আবাসন সংকট নিরসনে বহুবার দাবি ও স্মারকলিপি দেওয়ার পরও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছি। দাবি মানা না পর্যন্ত তালা থাকবে এবং আমরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কোনো লিখিত দাবি না দিয়েই ভবনে তালা ঝুলিয়েছে।

পূর্বে যখন দাবি জানানো হয়েছে আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি। এবার আল্টিমেটাম বা লিখিত প্রস্তাব ছাড়া তালা দেওয়াটা যথার্থ নয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ইয়াহইয়া আখতার ও সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর