বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

রক্তচাপ হঠাৎ কমে গেলে কী করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:০৯

রক্তচাপ বাড়লেই আমরা সাধারণত ভয় পাই—হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি জটিলতা ইত্যাদির ঝুঁকি মাথায় আসে। কিন্তু রক্তচাপ খুব কমে গেলেও বিপদের আশঙ্কা কম নয়। অনেকেই জানেন না যে, হাইপোটেনশন বা নিম্ন রক্তচাপও সমানভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি ডেকে আনতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন): ১৪০/৯০ বা তার বেশি

নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন): ১১০/৬০ বা তার কম

যারা নিয়মিত রক্তচাপ মাপেন না, তারা সহজেই উচ্চ বা নিম্ন চাপ ধরতে পারেন না।

কিন্তু শরীর অনেক সময় আগাম সংকেত দেয়।

উচ্চ রক্তচাপের সাধারণ উপসর্গ:

মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা, নাক থেকে রক্তপাত।

নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ কী?

অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা ঝাপসা দেখা, অস্থির হৃদস্পন্দন, বমি বমি ভাব, আচমকা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া (ব্ল্যাকআউট)।

অনেকের ক্ষেত্রে জন্মগতভাবেই রক্তচাপ কিছুটা কম থাকে, তবে লক্ষণ প্রকাশ না হলে তা নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই।

কিন্তু উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

হাইপোটেনশন কতটা বিপজ্জনক?

অনেকেই মনে করেন লো ব্লাড প্রেশার তেমন ক্ষতিকর নয়। কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী হলে হার্ট ও মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছাতে সমস্যা হয়, যা হতে পারে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা স্ট্রোকের কারণ।
কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থা, যেমন—হিমোগ্লোবিনের অভাব (রক্তাল্পতা), পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা ডায়েট এসবও নিম্ন রক্তচাপের কারণ হতে পারে।

হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে কী করবেন?

লবণ-চিনির পানি বা ওআরএস খেতে পারেন: শরীরে সোডিয়াম ও শর্করার ঘাটতি পূরণে উপকারী।

ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা : চোখ-মুখে ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া হলে স্নায়ু কিছুটা স্বস্তি পায়।

কালো কফি : ক্যাফেইন রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে, তবে মাত্রা বজায় রাখা জরুরি।

বিশ্রাম : মাথা কিছুটা উঁচু করে শোয়া ভালো।

নিম্ন রক্তচাপ থাকলে পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।

খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন দুধ, ডিম, মুরগি, ছানা, পানি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তার নিয়মিত পর্যবেক্ষণও জরুরি। শুধু উচ্চ নয়, নিম্ন রক্তচাপের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর