শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ছাত্রী হলের টাকায় জমি কেনার অভিযোগ প্রভোস্টের বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১৭:৪৪

হলের টাকায় জমি কিনলেন প্রভোস্ট। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে ছয় মাসের মধ্যে ৩৪ লাখ টাকা সমন্বয় করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু একদিনেই ৩৪ লাখ টাকা পারিবারিক কাজের জন্য উঠানো হলো কোন নিয়ম বলে সে প্রশ্ন এখন জনমনে।

আলোচিত ঘটনাটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) রোকেয়া হলের।

কুয়েটের সাতটি হলের মধ্যে রোকেয়া হলটি ছাত্রীদের হল। ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধেই উঠেছে এ অভিযোগ।

হল প্রভোস্ট ও সহকারী প্রভোস্টের যৌথ স্বাক্ষরে টাকা উঠলেও সহকারী হল প্রভোস্ট তাসমি আক্তার বলেন, ‘আমি স্বাক্ষর করে চলে গিয়েছিলাম। সেখানে অ্যামাউন্ট বসিয়ে ৩৪ লাখ টাকা উঠিয়েছেন প্রভোস্ট।

জনতা ব্যাংকের কুয়েট কর্পোরেট শাখার স্টেটমেন্টে দেখা যায়, গত ২৯ জুলাই রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম নিজেই স্বাক্ষর করে ৩৪ লাখ টাকা উঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে ব্যাংক ম্যানেজার আব্দুল হামিদ বলেন, ‘১০ লাখ টাকার ওপরে কেউ তুললে সেটি শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকে রিপোর্ট করতে হয়। ওই ক্ষেত্রে সেটিই করা হয়েছে। তাছাড়া হিসাবধারী বা যার/যাদের স্বাক্ষরে টাকা উঠানোর কথা তার বা তাদের স্বাক্ষরে চেক আসলে টাকা দিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাধ্য।

’কুয়েটের রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম বলেন, ‘পারিবারিক কারণে টাকাটা উঠানো হয়েছিল। পরে সেটি জমা দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে কিস্তি করে জমা দেওয়া হবে।’

কিন্তু পারিবারিক কাজে এভাবে হলের টাকা উঠানোর সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটি লোনের জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। লোন পেলেই টাকাটা সমন্বয় করা হবে।

’কুয়েটের একটি সূত্র জানায়, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতির আরো অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তিনি জাব্দিপুর এলাকায় জমি কিনেছেন বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। বিশেষ করে চব্বিশের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পরপরই তিনি তার এক আত্মীয়কে হলে চাকরি দেন। এ ছাড়া অর্থের বিনিময়ে প্লাম্বার পদে একজন, লাইব্রেরিয়ান পদে দুজন, ঝাড়ুদার পদে একজন এবং একজন সুইপারও নিয়োগ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম বলেন, ‘আমি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।’

কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাকসুদ হেলালী বলেন, ‘হলের টাকা কিভাবে উত্তোলন করা হলো সেটি হল প্রভোস্ট এবং যারা এর সঙ্গে দায়িত্বে নিয়োজিত তারাই ভালো জানেন। আমার কাছে অভিযোগ এলে সেটি নিয়ে কি করা যায় তখন দেখা যাবে।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর