শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ আগষ্ট ২০২৫, ১৫:৩৯

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের যেকোনো মাজার, মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানায় হামলা চালালে বা ধ্বংসের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মামলা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এবং হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। রবিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, সম্প্রতি কয়েকটি মাজারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে রিপোর্ট রয়েছে।

মাজার ও মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের সামর্থের সীমাবদ্ধতা আছে। প্রতিটি স্থানে পুলিশ মোতায়েন সম্ভব নয়, তাই সামাজিক সচেতনতাও জরুরি। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিজেদের ভূমিকা রাখতে হবে।

সিসি ক্যামেরা থাকলে কোনো দুর্বৃত্ত যদি মাজার বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় তাহলে তাদের চিহ্নিত ও আটক করা সহজ হবে।

এরআগে সকাল ৯টায় তিনি সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া এলাকায় জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাগলা মসজিদে গিয়ে তিনি জানান,আধুনিক তুরস্কে যে দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলো আছে, এখানে সেগুলোর আদলে ১০ তলা দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এই মসজিদে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা থাকবে।

ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। পাগলা মসজিদের দানের টাকা দিয়েই দৃষ্টিনন্দন কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হবে। শিগগিরই এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।

মসজিদের তহবিলে জমা থাকা টাকার হিসাব দিয়ে তিনি বলেন, পাগলা মসজিদের ৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ১৩টি ব্যাংকে এফডিআর আকারে জমা রয়েছে। যারা অর্থাভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার মতো পোশাক-পরিচ্ছদ কিনতে অক্ষম।

আমি মসজিদ কমিটিকে বলেছি, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার দরিদ্র শিক্ষার্থীদেরও যেন এই লভ্যাংশ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা হবে একটি মহৎ কাজ। মসজিদের লভ্যাংশের টাকা গরিব, দুঃখী, অনাথ এবং অসুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ লাখ টাকা এসব মানুষের সহায়তায় ব্যয় করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরানুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি আল জামিয়াতুল এমদাদিয়া আয়োজিত ‘ইসলামী অর্থনীতির গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় যোগ দেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর