শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

সকালে কোন সময়ে উঠতে পারা শরীরের জন্য ভালো

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:০৫

খুব সকালে ওঠা শরীর ও মনের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মত বিশেষজ্ঞদের। ভোর ৫টা থেকে ৬টা ৩০ এর মধ্যে ওঠা সবচেয়ে ভালো সময় বলে মনে করেন তারা। এতে শরীর ও মন দুটোই চনমনে থাকে। অনেকেই সকাল ৪টা-৫টার মধ্যে উঠে হাঁটতে বের হন।

এতে তারা প্রকৃতির মধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন এবং শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি পান। তবে আধুনিক জীবনে অনেকেই রাত ১১টা-১২টা পর্যন্ত জেগে থাকেন, যার প্রভাব শরীরের পড়ে ওপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যোদয়ের সময়ের আশপাশে জাগা শরীরের সার্কেডিয়ান রিদম বা প্রাকৃতিক ঘড়ির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখে। এই ছন্দ শরীরের হরমোন, এনার্জি লেভেল ও মানসিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য বজায় রাখে।

আপনি যদি বেশি রাত পর্যন্ত জাগেন, তাহলে শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লান্তি, মানসিক চাপ ও নানা অসুবিধা দেখা দেয়। তাই তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস শরীরের পক্ষে ভালো।

গবেষণা বলছে, সকাল ৫টা থেকে ৬টা ৩০-এর মধ্যে ওঠা সবচেয়ে আদর্শ সময়। এই সময় পরিবেশ শান্ত ও নির্মল থাকে এবং মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে শুরু করে। এই সময় মেডিটেশন, যোগ বা হালকা ব্যায়াম করলে দিনভর কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কখন উঠছেন তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ আপনি পর্যাপ্ত ঘুম নিচ্ছেন কি না। রাত ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে যদি আপনি ভোর ৫টা-৬টার মধ্যে ওঠেন, তাহলে শরীরের সার্কেডিয়ান রিদম ঠিক থাকে এবং ঘুমও সম্পূর্ণ হয়।

যারা সকাল ৯টা-১০টা পর্যন্ত ঘুমান, তারা সারা দিন ক্লান্তি, বিরক্তি ও মনোসংযোগে সমস্যায় ভোগেন এমন অভ্যাস খাওয়াদাওয়া ও ঘুমের সময়ের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, যার ফলে শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক ব্যাহত হয়।

এই ধরনের অভ্যাস ধীরে ধীরে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদিও প্রত্যেকের শরীরের ঘড়ি একটু আলাদা, তবু গবেষণা বলছে, যারা সূর্যোদয়ের সময় ওঠেন, তারা অধিক সক্রিয়, ইতিবাচক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন।

দিল্লি এআইআইএমএসের নিউরোলজিস্ট ডা. অরবিন্দ গুপ্তা বলেন, রাত ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে ভোর ৫টা-৬টার মধ্যে ওঠা শরীরের সার্কেডিয়ান রিদম ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যা হার্ট, মস্তিষ্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর