শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে? কী করবেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ জুলাই ২০২৫, ১৭:৪৫

সন্তানকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে গিয়ে অনেকেই সন্তান থেকেই দূরে চলে যাচ্ছেন। এক সময় যে ছেলে-মেয়ে সারাক্ষণ মা-বাবার সঙ্গে সঙ্গে ঘুরত, সে-ই এখন দূরে দূরে থাকে। নিজের মতো খেলে, বই পড়ে, চলাফেরা করে। কারো সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করে না।

সন্তান বয়ঃসন্ধির দিকে একটু একটু করে এগোচ্ছে ঠিকই, কিন্তু মা-বাবার থেকে দূরে চলে যাওয়া মোটেই ঠিক হয় না। আর এমন ঘটনার পেছনে অনেকাংশে মা-বাবাই দায়ী হয়। অফিসের কাজ, সংসারের দায়িত্ব সামলিয়ে সন্তানকে সময় দিতে পারেন না। কিন্তু সন্তানের সঙ্গে মা-বাবায়ের বন্ডিংও মজবুত করা দরকার।

তাই কাজে আসতে পারে এই তিন উপায়। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—সন্তানের স্কুল, পড়াশোনা, খেলাধুলা সবই যেন থাকে। সে কোন সময়ে কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, সেটা আপনি জানেন। তাই তার রুটিনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে নিজের রুটিনটা সাজান।

হয়তো সারাক্ষণ সন্তানের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন না। কিন্তু ব্যস্ততার ফাঁকে ছোট ছোট মুহূর্তগুলো সন্তানের সঙ্গে কাটাতে পারেন। কাজের ফাঁকে ফোন করে তার খবর নিতে পারেন। স্কুলে দিয়ে আসা, স্কুল থেকে বাড়ি আনার মতো কাজগুলো করতে পারেন।

সন্তানের জীবনে কী চলছে, সে বিষয়ে আগ্রহ দেখান। সন্তানের সঙ্গে এমন ভাবে মিশুন, যাতে সে মনের সব কথা আপনাকে খুলে বলতে পারে। সন্তানের স্বাস্থ্য, তার কোন বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে, সে কী খেতে ভালোবাসে, কী করতে চায়, পছন্দ-অপছন্দ, সব বিষয়ে জানার চেষ্টা করুন। সে স্কুলে কিভাবে সময় কাটায়, তার দিন কেমন গেল—এসব বিষয়ে আগ্রহ দেখান। এতে সন্তান বিপদের হাত থেকে বাঁচবে এবং সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কও সুন্দর হবে।

জেন জি ও জেন আলফা তাদের মা-বাবার তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ওভারপ্রোটেক্টিভ পেরেন্ট না হয়ে সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো করে মিশুন। সারা দিন সন্তানকে সময় দিতে না পারলেও সকালের নাশতা ও রাতের খাবার একসঙ্গে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

সপ্তাহান্তে সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান। সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে যান। তার পছন্দগুলো একসঙ্গে করুন। সন্তান যেটা করতে ভালোবাসে, সেটায় তাকে আরো উৎসাহ দিন। সব সময় ওর ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা না করে তাকে এমন ভাবে বোঝান, যাতে ও নিজেই ঠিক-ভুল বুঝতে পারে। এতে সন্তানের আপনার প্রতি বিশ্বাস অটুট থাকবে।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর