বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

প্রধান উপদেষ্টার

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ জুলাই ২০২৫, ১৫:২৯

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কার্যক্রম আরো জোরদার এবং প্রাণিসম্পদ সেবা আধুনিকায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ একটি ব্যতিক্রমধর্মী মন্ত্রণালয়। আমাদের সমুদ্র ও খামার উভয়কে দেখভালের দায়িত্ব এটির।

কিন্তু এখনো আমরা সাগরের পুরো জগতে প্রবেশ করিনি।

তিনি বলেন, আমাদের জানতে হবে আমাদের কী ধরনের মৎস্য সম্পদ আছে, কী হারাচ্ছি এবং কেন আমরা পিছিয়ে আছি। যদি আমরা সঠিকভাবে কাজ করি, তাহলে এই খাত আমাদের অর্থনীতির জন্য এক নতুন জগৎ উন্মোচন করতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে যথাযথ জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সম্ভাবনাময় এলাকা চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, প্রয়োজনে বাংলাদেশ জাপান বা থাইল্যান্ডের মতো দেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে সাহায্য নিতে পারে।

তিনি বলেন, জাপান ইতিমধ্যেই সাহায্যের আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা দেখব যৌথ উদ্যোগ সম্ভব কি না। কিন্তু প্রথমে আমাদের নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, এটি শুধু আরো মাছ ধরার ব্যাপার নয়, এটি একটি শিল্প গড়ে তোলার বিষয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কক্সবাজারে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে গবেষণায় ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে বৈশ্বিক পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ ও আইডিয়া আনতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু গবেষণার জন্য গবেষণা নয়, এই গবেষণা এমন হতে হবে, তা যেন নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রাণিসম্পদ বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, খাদ্য ঘাটতি, রোগবালাই ও উচ্চমূল্যের টিকা গবাদি পশু খামারিদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে স্থানীয়ভাবে পশুখাদ্য ও টিকা উৎপাদনের উপায় খুঁজে বের করতে হবে।

খরচ কমাতে ও আত্মনির্ভর হতে এটাই একমাত্র পথ।

গবাদি পশুর চামড়ার সিন্ডিকেট ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ঈদুল আজহার আগে থেকেই পূর্বপরিকল্পনা নেওয়া জরুরি। একই সমস্যা পুনরায় ঘটতে দেওয়া যাবে না। গরুর চামড়ার জন্য একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ বাজার নিশ্চিত করতে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর