শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

নিলামে আড়াই কোটি টাকায় মহাত্মা গান্ধীর তৈলচিত্র বিক্রি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ জুলাই ২০২৫, ১৬:৩৫

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধীর একটি বিরল তৈলচিত্র লন্ডনে নিলামে এক লাখ ৫২ হাজার ৮০০ পাউন্ডে (প্রায় আড়াই কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে বুধবার এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, নিলামকারী প্রতিষ্ঠান বোনহামস ধারণা করেছিল চিত্রটির মূল্য ৫০ হাজার পাউন্ড থেকে ৭০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হবে। তবে তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে এটি বিক্রি হলো। ১৯৩১ সালে গান্ধী লন্ডন যাওয়ার পর বৃটিশ চিত্রশিল্পী ক্লেয়ার লেইটন চিত্রটি এঁকেছিলেন।বোনহামস জানিয়েছে, এটিই মহত্মা গান্ধীর একমাত্র তৈলচিত্র হতে পারে।

গান্ধী ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার এই শিক্ষা লাখো মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। বেশিরভাগ ভারতীয় তাকে জাতির পিতা হিসেবে শ্রদ্ধা করে।

১৯৩১ সালে ভারতের জন্য সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দ্বিতীয় গোল টেবিল বৈঠকে অংশ নিতে লন্ডনে গেলে এ চিত্রটি আঁকা হয়েছিল।

বোনহামসের মতে, ক্লেয়ার লেইটন তার অফিসে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া অল্প কিছু চিত্র শিল্পীর মধ্যে একজন। তিনি বিভিন্ন সময় তার ছবি আঁকার সুযোগ পেয়েছিলেন।

চিত্রকর্মটি ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত শিল্পীর নিজ সংগ্রহেই ছিল। তিনি মারা যাওয়ার পর তার পরিবার এটি সংরক্ষণ করেছিল। তবে চিত্রকর্মটি কে কিনেছে বা এটি প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে কিনা এ বিষয়ে স্পষ্ট জানায়নি বোনহামস।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর