প্রকাশিত:
১২ জুলাই ২০২৫, ১৭:৩০
চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ‘দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে রাজপথে নেমে এসেছিলেন চলচ্চিত্র, সংগীতশিল্প, আলোকচিত্র, থিয়েটারসহ শোবিজের নানা অঙ্গনের কর্মীরা। প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন হত্যা, সহিংসতা, গণগ্রেপ্তার আর হয়রানি বন্ধ করার দাবিতে।
সেই গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর পার হতে যাচ্ছে। কিন্তু দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ মনে করে, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাদের দায়িত্ব এখনো শেষ হয়নি।
আর তাই গত এক বছরে পাওয়া-না পাওয়ার হিসাব মিলিয়ে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিল্প-সংস্কৃতিকে অন্যতম মৌলিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে। যার মধ্যে থাকবে আগামী ২ আগস্ট দিনব্যাপী আয়োজনের ঘোষণা।
এমনটা কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন ‘দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ’-এর অন্যতম আহ্বায়ক নির্মাতা আকরাম খান।
তিনি জানিয়েছেন, চব্বিশের জুলাই-আগস্টজুড়ে ঘটে যাওয়া উত্তাল গণ-অভ্যুত্থানে দৃশ্যমাধ্যম সমাজ পালন করেছে এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব।
এক বছর পার হতে যাচ্ছে সেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের। ৩৬ দিনের সেই ফ্যাসিবাদবিরোধী, বৈষম্যবিরোধী, ভয়হীন ও সাম্যের আন্দোলন থেকে আমরা যেমন পেয়েছি অনেক কিছু, তেমনি না পাওয়ার ঝুলিতেও জমেছে কিছু হতাশা, ক্ষোভ ও আশাভঙ্গের বেদনা।
বললেন, ‘এই এক বছরে আমরা কী অর্জন করেছি, কী পেয়েছি সেসব নিয়েই কথা বলব। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আমাদের দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজের সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে মাসব্যাপী অনলাইন কর্মসূচি আয়োজন করছি।
’তাদের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বিস্তারিত জানাতে আগামীকাল ১৩ জুলাই, রবিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনে ‘দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে রাজপথে নেমে এসেছিলেন অভিনেতা মামুনুর রশীদ, মোশাররফ করিম, ইরেশ যাকের, সিয়াম আহমেদ, আজমেরী হক বাঁধন, মোস্তফা মনওয়ার, সাবিলা নূর, রাফিয়াত রশীদ মিথিলা, নাজিয়া হক অর্ষা, শ্যামল মওলা, নির্মাতা নুরুল আলম আতিক, আকরাম খান, অমিতাভ রেজা চৌধুরী, মাতিয়া বানু শুকু, রেদওয়ান রনি, আশফাক নিপুণ, আদনান আল রাজিব, পিপলু আর খান, সৈয়দ আহমেদ শাওকি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন: