বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ছেলে হত্যা মামলার মা ও দুই ছেলে গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ জুলাই ২০২৫, ১৭:৪৯

চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকৌশলী নুরুল আলম বকুল হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-০৭। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফ্ফর হোসেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন শহিদা বেগম (৬০) এবং তার দুই ছেলে নাজিম উদ্দিন (৩৫) ও মো. দিদারুল আলম (৩৩)। তারা সবাই রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের এয়াছিন নগরের তিতাগাজী বাড়ির বাসিন্দা এবং নিহত বকুলের মা ও সৎ ভাই।

মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার বিকেল ৫টার দিকে হাটহাজারীর চৌধুরীহাট এলাকা থেকে প্রধান আসামি মো. নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বড়দিঘীরপাড় বাজার এলাকা থেকে মো. দিদারুল আলম এবং লালিয়ারহাট এলাকা থেকে মোছা. শহিদা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, নিহত নুরুল আলম বকুল পেশায় একজন প্রকৌশলী ছিলেন। নিজ নামে কেনা জমি নিয়ে ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল।

এই বিরোধের জেরে তিনি আদালতে মামলা করেন। এরপর থেকেই বড় ভাই নাজিম উদ্দিনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গত ৩১ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের দিন নুরুল আলম বকুলকে রাউজান উপজেলার এয়াছিন নগরের নিজ বাড়িতে তার মা ও ভাইয়েরা কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনার দিন তার ওপর হামলার সময় ছোট ভাই, তার স্ত্রী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. রাজু আহাম্মদ বাদী হয়ে রাউজান থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজনকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য র‌্যাব রাউজান থানায় হস্তান্তর করেছে। রাউজান থানার ওসি মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে পারে।

আমরা জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেছি। কোনো কারণে যদি সেটা না হয় রিমান্ডের আবেদন করব।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর