শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

মাসুদ কামাল

এক বছরে আমাদের বড় প্রাপ্তি মব কালচার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৫ জুলাই ২০২৫, ১২:৪৯

গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ‘মব সংস্কৃতি’ বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, “এক বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মব কালচার। আমরা এটা আগে পাইনি, এভাবে দেখিনি। এক বছরে মব কালচারকে আমরা এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি, যেন এটা একটা ‘বৈধ কাজ’।

”অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত মবের ঘটনা তুলে ধরে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদ বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মবের ঘটনায় কোনো শাস্তি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মবের কোনো শাস্তি হচ্ছে না, মব ভায়োলেন্সের কোনো শাস্তি দেখাতে পারবেন না, এগুলো সব বৈধ। এ মব কালচারের একটা বিপজ্জনক দিক আছে, এটা ভয়ঙ্কর।’

তিনি বলেন, একজন লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, তখন চার-পাঁচজন ছেলে তাকে স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিবাদের দোসর বলে উত্তম-মধ্যম দেওয়া শুরু করল, কেউ তাকে ফেরাতেও যাবে না।

যে ফেরাতে যাবে সেও চিন্তা করবে আমি তো উল্টো মারধরের শিকার হতে পারি। পুলিশ পাশ দিয়ে হাঁটবে, কিন্তু তাকে ফেরানোর চেষ্টাও করবে না। কারণ, ফেরাতে গেলে তাকে ক্লোজ করা হবে।’

সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে লাঞ্ছিত ও তার গলায় জুতার মালা পরানোর সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নুরুল হুদা সাহেরের মবের যে ভিডিও আমরা দেখলাম, সেখানে দেখা গেল, পুলিশের এক সদস্য নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।

মবকে থামানোর চেষ্টাও করেন নাই। কিন্তু তার যে ট্রেনিং ছিল, সেটা কি তাকে থামাতে বলে নাই? বলেছে, তারপর সে করে নাই কেন? করবে না–– কারণ সে ভাববে আমার জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই। এখন এসব যারা উৎসাহ দিচ্ছে, আলটিমেটলি তাদের কপালে কী আছে জানি না।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর