শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

মোস্তফা ফিরোজ

অভ্যুত্থানের পর গণমাধ্যম আরো দুর্বল হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ জুলাই ২০২৫, ১৫:৩১

গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী গণমাধ্যম আরো দুর্বল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ। তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যমকে স্বাধীন বললেও একে পরাধীন করা শেখ হাসিনার আইন বাতিল করছে না কেন? সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আওয়ামী আমলেই গণমাধ্যমের কাঠামো পঙ্গু হয়ে গেছে। শেখ হাসিনা এমন সব ব্যবস্থাপনার মধ্যে রেখেছে যে, সেখান থেকে গণমাধ্যম এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

যখন-তখন টেলিভিশন বন্ধ করার আইনটার পরিবর্তন হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটা অধ্যাদেশ দিয়ে এ কাজটা করতে পারত। আমাদের ১৫ বছরের ভোগান্তির অবসান হতো এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে। শাহাবুদ্দিন সাহেব এক ফুঁৎকারে পত্রিকাগুলোকে যে স্বাধীনতা দিল, এই সরকার ১১ মাসেও তা পারল না।

তিনি জানান, কাঠামোর কারণে এমনিতেই দুর্বল ছিল গণমাধ্যমগুলো। যারা চাকরিতে থেকে সমালোচনা করেছে তাদেরকেও চাকরিতে রাখতে দেওয়া হয়নি। যারা ছিলেন তারা এখন শক্ত পায়ে দাঁড়াতে গিয়ে চিন্তা করছে তার উপরে সেটা প্রয়োগ হলে কী হবে।

নিজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার পিছনে বিএনপি জামাতের কোনো সিল ছিল না।

টেলিভিশনের বার্তা প্রধান হয়ে টক শোতে যাওয়া ছিল আমার বড় অপরাধ। সমালোচনা করায় চাকরি চলে যায় আমার।

তিনি আরো বলেন, ১৫ বছর গণতন্ত্রবিহীন চর্চা চলেছে, মালিকরা স্বাধীন ছিল না। ডিজিএফআই-এর মিডিয়া সেল নির্দেশনা দিত মালিকদের। মিডিয়া সেলের অনেকে মালিকদের কাছ থেকে সরাসরি টাকা-পয়সা নিত।

সেই মিডিয়া সেলই আওয়ামী আমলে বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে ডকুমেন্টারি বানাতো। তাদের বাসায় ছিল এডিটিং প্যানেল। তার মতে, গণমাধ্যম এখন মবের ভয়ে ভীত, সরকারের ভয়ে ভীত। তাই সব মতের প্রতিফলন টক শোতে দেখা যাচ্ছে না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর