প্রকাশিত:
৩ জুলাই ২০২৫, ১৩:৪১
সাংবাদিক এম এ আজিজ বলেছেন, ‘পলিটিক্স এখন দুর্বৃত্তায়ন উৎপাদন করে। উৎপাদনকেন্দ্র সব পলিটিক্সের শেল্টারে। তবে ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পরে আমরা আশা করেছিলাম দেশে একটা পরিবর্তন আসবে। ছাত্ররা ভালো পড়াশোনা করলে বিসিএস দিয়ে বিসিএস অফিসার হবে।
কিন্তু এখন তারা সোজাসুজি মন্ত্রী হতে চাই।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সমালোচনা করে এম এ আজিজ বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। তার কাছ থেকে একবারও শুনেছেন যে, ছাত্ররা তোমরা পড়াশোনাও করো, উদ্যোক্তাও হও। উনি উদ্যোক্তা কীভাবে বানাবেন বলেন? উনিই তো সব, বাংলাদেশের সব সেক্টরে উনার গ্রামীণ ব্যাংক আর গ্রামীণফোন।
উনি তো বাইরে কাউকে দেখেন না। সুতরাং উদ্যোক্তা যে হবে, উদ্যোক্তা হওয়ার জায়গাটাও উনি রাখছেন না।’
‘এখন প্রতিটি জিনিস তার জায়গা থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিকরা সঠিক কথা লিখতে পারছেন না।
এখন যদি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিতে চান তাহলে মালিকের স্বাধীনতা হবে, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা হবে না। অবজার্ভার তো স্বাধীনতার পক্ষে ছিল। বিকজ অব সাংবাদিক। এখন এই সাংবাদিকদের সমস্যাটা কোথায়? কারণ, সাংবাদিকরা পলিটিক্যাল লাইনে বিভক্ত হয়ে গেছে।’ ‘আর এই বিভক্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যারা গেছে তারা এক লাইনের লোকই গেছে।
তারা চামচামি করতে গেছে। অনেকগুলো সাংবাদিক এখন গ্রেপ্তার আছেন। তারা প্রায় অধিকাংশ খুনের আসামি। কিন্তু সাংবাদিকরা তো কেউ খুন করেনি। তারা দুর্নীতি ধরে টাকা খেয়েছে। ১০০০ কোটি ধরলে শত কোটি পাচ্ছে। এর কারণ, সাংবাদিকরা তাদের ন্যায্যটা পাচ্ছে না, তাই অন্যায্য পথে আগাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাকে সংস্কার কমিশনে রাখার জন্য বহুবার টেলিফোন করেছে। আমি যাইনি, কারণ আমি জানি এসব সংস্কার প্রস্তাব একটাও বাস্তবায়ন হবে না।’
তিনি বলেন, ‘যে দেশে যতটুকু গণতন্ত্র আছে, ততটুকু গণতন্ত্রের স্বাধীনতা আছে। সুতরাং, আমাদের দেশে যেহেতু ডেমোক্রেসি ফাংশন করছে না, গণমাধ্যম স্বাধীন হওয়ার সুযোগ নাই। রাজনৈতিক অঙ্গনে যতক্ষণ পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততক্ষণ গণতন্ত্র হবে না।’
মন্তব্য করুন: