প্রকাশিত:
৩০ জুন ২০২৫, ১৪:১৮
পাকিস্তানজুড়ে অব্যাহত মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ফলে রবিবার বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিজনিত ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরো ১৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। খবর ডনের।
দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির মধ্যে কর্তৃপক্ষ রবিবার বেশ কয়েকটি শহরের জন্য বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।পাশাপাশি গিলগিট-বালতিস্তানে হিমবাহ গলতে থাকায় নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা নতুন করে ঝুঁকিতে পড়েছেন।
পাকিস্তানে ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির ন্যাশনাল এমার্জেন্সিস অপারেশন সেন্টার জানিয়েছে, আজাদ কাশ্মীর, উত্তর-পূর্ব পাঞ্জাব, পোথোহার অঞ্চল, ইসলামাবাদ এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার বেশ কিছু অঞ্চলে ৩ জুলাই পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
রেসকিউ ১১২২ জানায়, শুধুমাত্র লাহোরে বৃষ্টিজনিত ঘটনায় ২ জন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে শরীফপুরায় কাঁচা ঘরের ছাদ ধসে পড়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
করাচিতে তিনজন বৈদ্যুতিক শকে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া গিলগিট-বালতিস্তানের কারগাহ নালায় স্রোতে ভেসে গিয়ে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।
এই প্রবল বর্ষণের ফলে মধ্য খাইবার পাখতুনখোয়া, পোথোহার অঞ্চল এবং ইসলামাবাদের নিচু এলাকাগুলোতে নগর বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া হাজারা ও মালাকান্দ ডিভিশন, আজাদ কাশ্মীরের ঝেলাম ও পুঞ্ছ উপত্যকার নিম্নাঞ্চল, এবং পীর পাঞ্জাল রেঞ্জে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ সিন্ধু, বিশেষ করে হায়দরাবাদ, বাদিন, ঠাট্টা এবং করাচিতে, ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট হঠাৎ বন্যা ও ঘরবাড়ি ধসে দেশটির চার প্রদেশে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়। বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েও কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন: