শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

চ্যাটজিপিটির পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ জুন ২০২৫, ১৬:২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি, বিশেষ করে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ ভাষা মডেল এখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত। তবে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধার পাশাপাশি উঠে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—এর পরিবেশগত প্রভাব কী? চলুন, জেনে নিই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চ্যাটজিপিটির মতো বড় এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণে বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহার করে। যার ফলে কার্বন নিঃসরণ ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ তৈরি করে।

এক গবেষণায় জানা গেছে, শুধু জিপিটি-৩ মডেল প্রশিক্ষণের সময়ই ৭ লাখ লিটারের বেশি মিষ্টি পানি ব্যবহার হয়েছে। যা কয়েকশো গাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত পানি সমান। এই পানি মূলত ডাটা সেন্টারের সার্ভার ঠাণ্ডা রাখতে ব্যবহৃত হয়। এমনকি ব্যবহারকারীরা চ্যাটজিপিটিতে ২০-৫০টি প্রশ্ন করলে, তাতে প্রায় ৫০০ মিলিলিটার বোতল পানি পরোক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়।

প্রতিবছর চ্যাটজিপিটি প্রায় ৮.৪ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করে, যা একজন সাধারণ মানুষের বার্ষিক নিঃসরণের দ্বিগুণেরও বেশি। আর এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে, যদি বিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসের পরিবর্তে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভর করা হয়।

পরিবেশবিদ ও গবেষকরা বলছেন, এআই সিস্টেমের এই পরিবেশগত খরচ সম্পর্কে স্বচ্ছতা দরকার। অনেক কোম্পানি, যেমন ওপেনএআই, এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং মাইক্রোসফ্টের সঙ্গে কাজ করছে তাদের কার্বন ও শক্তি ব্যবহার কমানোর জন্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তি যত বিস্তৃত হচ্ছে, ততই প্রয়োজন হচ্ছে আরও টেকসই, দায়বদ্ধ এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার। ব্যক্তি, গবেষক এবং প্রতিষ্ঠান সবাই মিলে এআই প্রযুক্তিকে ‘সবুজ’ পথে পরিচালিত করার দিকে নজর দিতে হবে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর