শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

বিশেষ একটি দেশ থেকে পারমাণবিক বোমা পাচ্ছে ইরান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ জুন ২০২৫, ১৫:২৩

বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক বিস্ফোরক ঘোষণা নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ দাবি করেছেন—ইরান শুধু পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে না, বরং এখন পরমাণু অস্ত্র পাওয়ার দিকেও এগোচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের কিছু দেশ সরাসরি ইরানকে পারমাণবিক বোমা দিতে প্রস্তুত।

রবিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তি ছিল—ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু মেদভেদেভের বক্তব্য সেই যুক্তিকে বুমেরাং করে তুলেছে।

মস্কো এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে হামলা চালানো জাতিসংঘ সনদের সরাসরি লঙ্ঘন।”

রাশিয়া এখন কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানালেও, এই সুরের নিচে রয়েছে একটি সম্ভাব্য কৌশলগত মেরুকরণ। যা শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বিরোধেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়াকে একত্র করে এক অঘোষিত অক্ষ গড়ে তুলছে।

হামলার আগের দিন ইরানের ফোরদো স্থাপনার কাছে সন্দেহজনকভাবে কিছু ট্রাক উপস্থিত ছিল—একটি স্যাটেলাইট চিত্রে এমনটাই দেখা গেছে। অনেকেই ধারণা করছেন, এ থেকেই হয়তো যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত হয় যে সেখানে গোপন কার্যক্রম চলছে।

তবে তেহরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইরান দাবি করে, “স্থাপনাগুলো অক্ষত রয়েছে এবং কোন তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়নি।”

মেদভেদেভ বলেন, “এই হামলা ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙেনি। বরং আগের চেয়েও তারা সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। এমনকি যারা আগে সমালোচক ছিলেন, তারাও এখন জাতীয় নেতৃত্বের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করছেন।”

এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক মহলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কোন দেশ ইরানকে পরমাণু বোমা দিতে রাজি হয়েছে?

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া এবং চীন—এই তিন দেশই অতীতে পারমাণবিক সহযোগিতায় যুক্ত ছিল। এখন ইরানের দিকে তাদের সরাসরি সহানুভূতি নতুন করে পারমাণবিক বাণিজ্যের শঙ্কা তৈরি করছে।

এই মুহূর্তে বিশ্ব পরিস্থিতি এক অদৃশ্য বিভাজনে পৌঁছেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা, আর অন্যদিকে রাশিয়া-চীন-ইরান-উত্তর কোরিয়া জোট।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “ইরান যদি সত্যিই পারমাণবিক অস্ত্রের পথে এগোয় এবং অন্য দেশ তা সরবরাহ করে, তাহলে এটি ২১ শতকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কূটনৈতিক বিপর্যয় হয়ে উঠবে।”

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর