শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

এমআইটির নতুন আবিষ্কার

বাতাস থেকেই তৈরি হবে খাবার পানি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুন ২০২৫, ১২:৫৯

আজকের বিশ্বে প্রায় ২২০ কোটি মানুষ বিশুদ্ধ পানির অভাবে দিন কাটান। শুধু আমেরিকাতেই প্রায় ৪৬ মিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানি পান না। এই বাস্তবতায় এমআইটি (MIT)-এর বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন এক অবিশ্বাস্য যন্ত্র—যেটি জানালার আকারের, চলার জন্য বিদ্যুৎ বা সৌর শক্তির দরকার হয় না, আর এটি বাতাস থেকে পানির বাষ্প শুষে বিশুদ্ধ পানি তৈরি করতে পারে।

এই যন্ত্রটিকে বলা হচ্ছে ‘অ্যাটমোসফেরিক ওয়াটার হারভেস্টার’। এটি প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক অঞ্চল ডেথ ভ্যালি-তে পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে চালানো হয়েছে। দিনে এটি ১৬০ মিলিলিটার পর্যন্ত পানি সংগ্রহ করতে পারে, যা ভবিষ্যতে কয়েকটি প্যানেল একত্রে বসিয়ে একটি বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় পানি জোগান দিতে পারবে।

যন্ত্রের গঠন ও কাজের ধরন

এই যন্ত্রটি তৈরি হয়েছে বিশেষ এক ধরনের ‘হাইড্রোজেল’ দিয়ে—একটি জেল জাতীয় পদার্থ, যা দেখতে ছোট ছোট কালো ডোম আকৃতির। এটি বাতাসের পানি বাষ্প শুষে নেয়। পরে এই বাষ্প ঠাণ্ডা গ্লাসের গায়ে ঘনীভূত হয়ে পানি হয়ে নিচে পড়ে যায় এবং একটি পাইপের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যায়।

যন্ত্রটি পুরোপুরি নিজে নিজেই চলে। এতে না আছে ব্যাটারি, না আছে বিদ্যুতের দরকার। শুধু রাতে বাষ্প জমায় এবং দিনে সূর্যের তাপে পানি বের হয়।

অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে ভালো কীভাবে?

আগের অনেক জল সংগ্রাহক যন্ত্রে লিথিয়াম ক্লোরাইড নামের লবণ ব্যবহার করা হতো, যা পানি নিষ্কাশনের সময় লবণাক্ততা বাড়িয়ে দিত। কিন্তু এমআইটির নতুন যন্ত্রে গ্লিসারল ব্যবহার করা হয়েছে, যা লবণকে আটকে রাখে এবং পানিকে নিরাপদ রাখে। তাদের সংগৃহীত পানির গুণমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরাপদ মাত্রার নিচে রয়েছে।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক শুয়ানহে ঝাও বলেন, “আমরা এমন এক যন্ত্র বানিয়েছি, যা কোনো রকম বিদ্যুৎ ছাড়া কাজ করতে পারে। মরুভূমি, দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা বা গ্রামে যেখানে সৌরপ্যানেলও মেলে না, সেখানেও এটি চালানো যাবে।”

তারা এখন এই প্রযুক্তিকে বড় পরিসরে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছেন, যাতে একটি পরিবার বা এমনকি একটি গ্রামের পানির প্রয়োজন মেটানো যায়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর