শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

হাসনাত আবদুল্লাহ

আমরা একসঙ্গে মিলেমিশে এ দেশ গড়ব

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ মে ২০২৫, ১১:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বিগত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। দেশের নেতারা টাকা পাচার করে দুর্নীতি করে, লুটপাট করে। আর আমাদের দেশের ভোটাররা তাদের ভোট বিক্রি করে দেয়। এক হাজার টাকা দিয়ে ভোট বিক্রি হয়।

আপনারা যদি ভোট বিক্রি করে নেতা বানান, তাহলে তাদের কাছ থেকে কেমনে আপনাদের সঙ্গে থাকার প্রত্যাশা করেন।

তিনি বলেন, যারা চাঁদাবাজি করে না, টেন্ডারবাজি করে না। যারা জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করবে, আপনারা তাদেরকে ভোট দেবেন। তখন আপনারা তাদেরকে বলতে পারবেন।

আমরা একসঙ্গে মিলেমিশে এদেশ গড়ব।

রবিবার (২৫ মে) রাতে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার মোড় চত্বরে আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

পথসভায় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় সংগঠক ও পটিয়ার সংগঠক এবং ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের প্রথম আন্দোলন পটিয়া থেকেই শুরু হয়েছিল।

যখন মানুষ কথা বলতে ভয় পেত তখন বীর চট্টলার মধ্যে পটিয়ার মানুষই জীবনকে হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিল। পটিয়াবাসী আপনারা যেমন সংগ্রাম-লড়াইয়ে আগে থাকেন, তেমনিভাবে আপনাদের কাছে আমাদেরও প্রত্যাশা থাকবে, সামনে আপনাদের কিন্তু অনেক বেশি দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এখনো সংকট প্রতিনিয়ত দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। প্রতিনিয়ত আমাদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছি, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে আমাদের মাঝে বিভাজন দেখা দিচ্ছে।

আমরা বিভাজন চাই না, আমরা যাতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারি সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে।

চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা চট্টগ্রামের মানুষ। তারপরও কেন চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের এ করুণ অবস্থা। সড়ক বিভাগের দায়িত্বে থাকার পরও যদি আপনাদের সিঙ্গেল লাইন রাস্তা থাকে তাহলে সেটা পটিয়াবাসীর জন্য দুর্ভাগ্য। আপনাদের উচিত সমন্বিতভাবে দাবি উত্থাপন করা, যাতে করে এ সড়ক দ্রুত প্রশস্ত করা হয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর