বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নতুন কূটনৈতিক যুদ্ধ শুরু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ মে ২০২৫, ১৭:২৫

পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টোকে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বিলাওয়াল জারদারিকে ইউরোপ সফরকারী একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে মনোনীত করেছেন। সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ভারত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে লবিং কার্যক্রম শুরু করেছে, তার জবাবে পাকিস্তান নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে।

শরিফ ও বিলাওয়ালের মধ্যে টেলিফোনে এক আলোচনা শেষে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিলাওয়াল প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং এই সংকটময় মুহূর্তে পাকিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে গর্ব প্রকাশ করেন।

শাহবাজ সরকারের অধীনে বিলাওয়ালের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ফেডারেল মন্ত্রী খুররম দস্তগীর, হিনা রব্বানি খার এবং সাবেক কূটনীতিক জালিল আব্বাস জিলানি ও তেহমিনা জানজুয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

এই দলটি ব্রাসেলস, লন্ডন ও প্যারিসের মতো ইউরোপীয় গুরুত্বপূর্ণ রাজধানীগুলো সফর করবে এবং সংশ্লিষ্ট সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবে।

এই কূটনৈতিক উদ্যোগটি আসে এমন এক সময়ে, যখন পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে এক প্রাণঘাতী হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে।

নয়াদিল্লি কোনো নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়াই হামলার জন্য ইসলামাবাদকে দায়ী করে। জবাবে পাকিস্তান “অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস” চালু করে, যেখানে ভারতের সামরিক অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযানে ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান, যার মধ্যে তিনটি রাফাল এবং একাধিক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর