বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ইসরায়েলের বিপদে পাশে দাঁড়াতে সাহায্য পাঠানোর প্রস্তাব ফিলিস্তিনের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৪ মে ২০২৫, ১৪:৩৯

ধ্বংসস্তূপে স্বজন হারানো জাতি এবার সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছে সেই রাষ্ট্রের দিকে, যে রাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে যুদ্ধ আর আগ্রাসনের মুখে। ইসরায়েলে ভয়াবহ দাবানলের মুহূর্তে এমনই এক মানবিক প্রস্তাব এসেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে,যা শুধু বিস্ময়কর নয়, ইতিহাসে এক বিরল উদাহরণও বটে।

ইসরাইলের জেরুজালেম সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চল পড়ছে ভয়াবহ দাবানলে। দাবানলের আগুন ছড়িয়ে পড়াচ্ছে বনভূমি, গ্রাম ও বসতিতে। আগুনের তীব্রতা এমন যে দেশটির ফায়ার সার্ভিসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, “এটা হতে পারে ইসরাইলের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগুন।” পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে দিন-রাত পরিশ্রম করেও আগুনের বিস্তার রোধ করতে পারছে না তারা।

এই সংকটময় মুহূর্তে সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের দিকে হাত বাড়িয়েছে ইসরাইল। ইতালি ও ক্রোয়েশিয়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অগ্নিনির্বাপক বিমান পাঠানোর। আবেদন করা হয়েছে গ্রিস, সাইপ্রাস ও বুলগেরিয়ার দিকেও।আর এমন সময় এক অবিশ্বাস্য প্রস্তাব আসে সরাসরি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

টাইমস অফ ইসরাইলের বরাতে জানা যায়, জেরুজালেম অঞ্চলে আগুন নিভাতে ফিলিস্তিনি অগ্নিনির্বাপক দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে তারা। যে অঞ্চল একসময় ইসরাইলের ট্যাংক আর বুলডোজারের থরথর কেঁপেছে, সেখানেই এবার সাহায্য নিয়ে ছুটে যেতে চায় ফিলিস্তিনিরা।

তবে ইসরাইল এখনো সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। অতীতেও বড় ধরনের দাবানলে ফিলিস্তিনের দলগুলো পাশে দাঁড়িয়েছিল।এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “এই আগুন শুধু বনভূমির নয়। এটা উল্টো দিকে ছুড়ে দিয়েছে একটি আয়না। যে আয়নায় দেখা যায় এক বর্বর জাতির নিষ্ঠুর মুখ। আর তার সামনেই দাঁড়িয়ে থাকা এক মানবিক হাত। যেটা এসেছে ফিলিস্তিন থেকে।”

এটাই হয়তো ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক, অথচ সবচেয়ে গৌরব উজ্জ্বল মুহূর্ত,যেখানে ঘৃণার বিপরীতে ভালোবাসা দাঁড়ায়, আর যেখানে আগুনের বিপরীতে এগিয়ে আসে সেই মানুষটাই, যাদের হৃদয়েই একসময় সবচেয়ে বড় আগুন জ্বালানো হয়েছিল।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর