শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

আহমদ আবদুল কাদের

হেফাজত নামলে কোনো উপদেষ্টা দেশে থাকতে পারবে না

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ মে ২০২৫, ১৬:৪৯

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বিলুপ্ত করা, সংবিধানে প্রস্তাবিত বহুত্ববাদ বাতিলসহ চার দফা দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ও খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। তিনি বলেছেন, আপনাদের বিরুদ্ধে আমাদের নামার ব্যবস্থা করবেন না। জাতি রাস্তায় নামলে, হেফাজত রাস্তায় নামলে কোনো উপদেষ্টা দেশে থাকতে পারবেন না। যদি দাবি মানা না হয় তাহলে আমরা পরবর্তী সময় আরও কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করবো।

শনিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত মহাসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন সকাল ৭টা থেকেই বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। তাদের হাতে কালেমা লেখা, ফিলিস্তিন ও বাংলাদেশের পতাকা দেখা গেছে।

সমাবেশে ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, আমাদের দাবি স্পষ্ট, আমরা মুসলিমদের পক্ষ থেকে দাবি করছি, যে নারী সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে, তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এই কমিশন রেখে কোনো সংস্কার হবে না। আমরা দাবি করছি, এই কমিশন যে প্রস্তাব পেশ করেছে, তা প্রত্যাহার করতে হবে। জাতি তা প্রত্যাহার করেছে। আর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা দাবি করছি, মানবিক করিডোরের নামে কোনো ব্যবস্থা করা যাবে না। দেশের জনগণের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। তাদেরকে এড়িয়ে গিয়ে না জানিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ জনগণ মানবে না, মানবে না।

কাদের বলেন, আমরা দাবি করেছি শাপলা চত্ত্বরে গণহত্যার বিচার করতে হবে। আমরা দাবি করেছি, জুলাই-আগস্টে গণহত্যার বিচার করতে হবে। আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচার করতে হবে। বিচারের আগ পর্যন্ত তার কোনো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ থাকতে পারে না।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যেই আওয়ামী লীগ আমাদের দাঁড়ি-টুপিওয়ালা ভাইদের বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে রাস্তায় নামিয়ে এনে হত্যা করেছিল, সেই আওয়ামী লীগের আর পুনর্বাসন হবে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মারা গেছে বাংলাদেশে আর জানাজা হয়েছে দিল্লিতে। শহীদদের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে এই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে আসবে না। এই সংস্কার আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সংস্কার। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

সমাবেশে হেফাজতে ইসলামের পক্ষে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাহফুজুল হক। ঘোষণাপত্রে ১২ দফা দাবি তুলে ধরেন তিনি।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাহমুদুর হাসান কাশেমী, নায়েবে আমির আহমেদ কাশেমী, হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক প্রমুখ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর