বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

প্রধান উপদেষ্টা

অন্যান্য বছরের চেয়ে ২০২৪ সালের বন্যা ছিল ভিন্ন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:৪২

বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ চাবি তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলা থেকে উপকারভোগীদের ভার্চুয়ালি চাবি হস্তান্তর করা হয়। প্রতিটি জেলা থেকে একজন করে উপকারভোগী তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি ধন্যবাদ জানান।

এদিন অন্যান্য বছরের চেয়ে গতবছরের বন্যাকে ভিন্ন ও অস্বাভাবিক উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যখন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করি, সঙ্গে সঙ্গে বন্যা শুরু হয়। ঠিক বুঝতে পারছিলাম না, এ জায়গায় কি বন্যা হবে। অন্যান্য বছর যে বন্যা হয়, এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন জায়গার বন্যা। এটা কত গভীরভাবে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, এটার কোনো ধারণা ছিল না। অথবা আন্দাজ করা হয়েছিল যে, তাড়াতাড়ি চলে যাবে। তবে দিন যত যাচ্ছিল, এটা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বন্যা বেড়ে যাচ্ছিল। সবাই ত্রাণ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি, সাহায্যের জন্য সারাদেশ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এটা যে কত বড় বন্যা ছিল, তা বুঝতে পেরেছি বন্যা চলে যাওয়ার অনেক পরে। বন্যায় যারা বাড়িঘর হারিয়েছিল, তাদের কোথাও যাওয়ার কোনো জায়গা ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘নানাভাবে প্রস্তাব আসছিল, বাড়ির জন্য টাকা দিতে হবে। টাকা দেওয়ার ব্যাপারে আমি একটু শক্ত অবস্থান নিয়েছিলাম। টাকা দিতে গেলে এই টাকার ভাগ-বাটোয়ারা অনেক রকম হয়ে যাবে। যারা প্রাপ্য, তাদের হাতে পৌঁছাবে না। তখন প্রস্তাব এসেছিল আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে করার। সেই প্রকল্পের বিষয়ে জানা ছিল না, তবে নামটা জানা ছিল। তখন ভাবলাম যে এটা কী করা যায়। পরে জানলাম, এটা সেনাবাহিনী করবে। তখন স্বস্তি পেলাম—আসলে টাকাটা সঠিকভাবে ব্যবহার হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ভালো লাগছে যে, টাকাটার সঠিক ব্যবহার হয়েছে। ঘরটাও সঠিকভাবে নির্মাণ হয়েছে। অনেক সময় টাকা ব্যবহার করা হলেও গুণগতমান ঠিক হয় না। আজকে গুণগতমানের ব্যাপারেও আশ্বস্ত হলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে টাকা দিয়েছিলাম, তার অর্ধেক টাকাতে কাজটা হয়েছে। উল্টো খবর। সাধারণত যে টাকা দেওয়া হয়, তার দ্বিগুণ চাওয়া হয়। এখানে যা দেওয়া আছে, তার অর্ধেক ব্যবহার হয়েছে। একটা আনন্দের খবর।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর