শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

বিয়ের আগে যেসব শারীরিক পরীক্ষা অবশ্যই করবেন

জীবনযাপন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ এপ্রিল ২০২৫, ১৮:৩০

বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নতুন জীবনের শুরু যেন হয় সুস্থতা ও সচেতনতার মাধ্যমে—সেই ভাবনা থেকেই বিয়ের আগে কিছু শারীরিক পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। শুধু শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করাই নয়, বরং একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীলতারও প্রমাণ এই পরীক্ষাগুলো।

চলুন জেনে নেই, বিয়ের আগে কোন কোন শারীরিক পরীক্ষা করাটা একদমই ভুলে গেলে চলবে না:

১. রক্তের গ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর

আপনার এবং আপনার সঙ্গীর রক্তের গ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর জানা খুবই জরুরি। ভবিষ্যতের সন্তান জন্মের সময় জটিলতা এড়াতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২. থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। দুই জনই যদি বাহক হন, তবে সন্তানের মধ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আগে থেকেই পরীক্ষা করে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

৩. যৌনবাহিত রোগের (STD) পরীক্ষা

HIV, হেপাটাইটিস বি ও সি, সিফিলিসসহ অন্যান্য যৌনবাহিত রোগ অনেক সময় লক্ষণ ছাড়া থাকে। তাই ভবিষ্যতের নিরাপদ ও সুস্থ সম্পর্কের জন্য এই পরীক্ষাগুলো করা আবশ্যক।

৪. ডায়াবেটিস ও হরমোন টেস্ট

পরিবার পরিকল্পনার আগে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড কিংবা হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা আছে কি না তা জেনে নেয়া ভালো। নারীদের ক্ষেত্রে PCOS বা অন্যান্য হরমোনজনিত সমস্যাও বিবেচনায় রাখা উচিত।

৫. ফার্টিলিটি বা প্রজনন ক্ষমতা পরীক্ষা

যারা বিয়ের পরপরই সন্তান নিতে চান, তাদের জন্য এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট এবং নারীর ওভারিয়ান রিজার্ভ মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

৬. জেনেটিক ডিসঅর্ডার স্ক্রিনিং

পরিবারে যদি বংশগত কোনো রোগের ইতিহাস থাকে, তবে সে অনুযায়ী জেনেটিক স্ক্রিনিং করিয়ে নেয়া উচিত।

৭. মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন

শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সুস্থতাও একে অপরের সুখী দাম্পত্য জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি। প্রয়োজন হলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়াও দোষের কিছু নয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর