শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

জাপানে মেগা ভূমিকম্পের শঙ্কা, মারা যেতে পারে ৩ লাখ মানুষ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:৫৩

প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একটি মেগাভূমিকম্পের ফলে জাপানের অর্থনীতি ১.৮১ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামিতে শত শত ভবন ধসে পড়তে পারে এবং প্রায় ৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

জাপান সরকারের প্রকাশিত একটি রিপোর্ট বলছে, নানকাই ভূতাত্ত্বিক খাত বরাবর ‘ভূমিকম্প’ সৃষ্টি হয়ে কাঁপতে পারে জাপান। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা হতে পারে ৮ থেকে ৯। মন্ত্রিপরিষদ অফিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , এই ভূমিকম্পে ২৭০.৩ ট্রিলিয়ন ইয়েনের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্ভাবনা, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় অর্ধেক। এটি পূর্বের সব অনুমানের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষতির ইঙ্গিত দেয়।

গত জানুয়ারিতে জাপানের ভূমিকম্প তদন্ত প্যানেল আগামী ৩০ বছরের মধ্যে একটি মেগা ভূমিকম্পের সম্ভাবনা ৮০ শতাংশেরও বেশি বলে জানিয়েছে। ‘মেগা ভূমিকম্প’ হলো ৮ কিংবা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প। এটি সাধারণ ভূমিকম্পের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করতে পারে।

বিশেষ করে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বা ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে হলে, এটি বিধ্বংসী ক্ষতি ডেকে আনবে। জাপান সরকারের নতুন প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে, ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে বিশাল সুনামি হতে পারে এবং শত শত ভবন ধসে পড়তে পারে। এতে ২ লাখ ৯৮ হাজার মানুষ মারা যেতে পারেন এবং ১২ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত হবেন- যা জাপানের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত নানকাই খাত থেকে প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ বছরে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে । এই খাতটি জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার (৬০০ মাইল) দূরে অবস্থিত, যেখানে ফিলিপাইন সমুদ্র প্লেট ইউরেশিয়ান প্লেটের নীচে রয়েছে।

এই দুই পাত নড়াচড়া করলে তাদের সংঘর্ষের ফলে বিশাল শক্তি উদ্গত হবে। তার জেরে হতে পারে ‘মহাকম্প’। শেষ বার এখানে কম্পন অনুভূত হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। তখন রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.১। তাতে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১,৪০০ জনের।

জানুয়ারিতে জাপানের একটি সরকারি প্যানেল জানায়, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে আবার সেখানে হতে পারে ‘মহাকম্প’। প্রসঙ্গত ২০১১ সালে উত্তর-পূর্ব জাপানে ৯.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ফলে সুনামি হয় এবং ১৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। সেই সঙ্গে ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চেরনোবিলের পর বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ পারমাণবিক বিপর্যয় দেখা দেয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর