বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

টাইটানিকের সেই দৃশ্য আজও বিব্রত করে কেট উইন্সলেটকে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৩ মার্চ ২০২৫, ১০:৪৬

গোটা বিশ্বের সিনেম্যাটিক ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল জেমস ক্যামরনের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘টাইটানিক’। ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই সিনেমায় কেট উইন্সলেট এবং লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর রসায়ন আজও দর্শক হৃদয়ে জীবন্ত। লিও-কেটের উষ্ণ রসায়নে ভরপুর সেই সব দৃশ্য এখনও ভক্তদের মনে সতেজ হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে তাদের রোমান্টিক অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো এখনো আলোচনা-সমালোচনার খোরাক জোগায়।

তবে সেই দৃশ্য ভুলতে চান কেট। অভিনেত্রীর মতে, এতো বছর পরেও সেই দৃশ্য তাকে অস্বস্তিতে ফেলে!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কেট উইন্সলেট জানিয়েছেন টাইটানিকের অন্তরঙ্গ দৃশ্যের কথা ভেবে এখনো তিনি আতঙ্কিত হন, যে দৃশ্য ভক্তরা তাকে কখনো ভুলতে দেয় না। ১৯৯৭ সালের এ ব্লকবাস্টার সিনেমায় রোজ ডেউইট বুকাটার চরিত্রে অভিনয় করা অস্কারজয়ী অভিনেত্রী বলেছেন, তার নগ্ন দৃশ্যটি সিনেমাটি মুক্তির অনেক পরও ভক্তদের কাছে অন্যতম প্রিয় এক দৃশ্য ছিল। এমনকি ১৭ বছর পরও ভক্তরা অটোগ্রাফের আশায় সেই স্কেচটি নিয়েই তার কাছে যায়।

কিন্তু বিব্রত উইন্সলেট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এখন আর এ সিনেমার অংশ হতে চান না।

কেট বলেন, ‘লোকেরা আমাকে (সেই ছবিতে) প্রায়ই স্বাক্ষর করতে বলে। কিন্তু আমি সেই দৃশ্য দেখে কাউকেই অটোগ্রাফ দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ্য করি না। এটা খুব অস্বস্তিকর বিষয় আমার জন্য।

টাইটানিক সিনেমায়, জ্যাক তার প্রেমিকা রোজকে নগ্ন অবস্থায় একটি স্কেচ এঁকে দিয়েছিলেন। তার গলায় শুধু ছিল ‘হার্ট অফ দ্য ওশান নেকলেস’। আর সিনেমার সেই নগ্ন দৃশ্যটিই সবচেয়ে আইকনিক ভিজ্যুয়ালগুলোর মধ্যে একটি হয়ে ওঠে। উইন্সলেটের জন্য, এটি একটি অপ্রত্যাশিত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার জন্য। অভিনেত্রী বলেন, ‘এই একটি যন্ত্রণা থেকে আমি মুক্তি পেতে চাইছিলাম।

আমি চাইনি যে, এটি এমন একটি দৃশ্য হোক যা আমি ১৭ বছর পরও দেখতে পাব।

টাইটানিকের পর কেটকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আরও অনেক হিট সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। তবু টাইটানিকই বছরের পর বছর ধরে তার সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। টাইটানিক তাকে হলিউডের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রীদের একজন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পরে ‘দ্য রিডার’, ‘রেভোলিউশনারি রোড’ এবং ‘লেবার ডে’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছিলেন তার পরিসর টাইটানিকের তারকা-ক্রসড রোম্যান্সের বাইরেও বিস্তৃত। ধীরে ধীরে হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করেছেন কেট উইন্সলেট।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর