শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, দুর্ভোগে বানভাসিরা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৮ আগষ্ট ২০২৪, ১২:১৮

ধীরে ধীরে বন্যা কবলিত এলাকার পানি নেমে যাচ্ছে। নিম্নাঞ্চল ছাড়া সবক’টি এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমেছে। পানি নামার সঙ্গে ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। তবে বন্যা কবলিত অনেক এলাকায় খাদ্য, নিরাপদ পানির সংকট ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বানভাসি মানুষের ভোগান্তি এখনও কমেনি।

বন্যায় প্লাবিত হওয়া পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার কোথাও কোথাও এখনও পানি রয়েছে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় ট্রলি ও ট্রাকে করে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে মানুষ। দাগনভূঞা ওসোনাগাজীতে উপজেলায় বন্যার পানি কমলেও কিছু স্থানে লোকেরা এখনও পানিবন্দি রয়েছেন। এ ছাড়া সোনাগাজী ও ফেনী সদর উপজেলার কিছু এলাকায় হাঁটু পানি আবার কোথাও কোমর পানি রয়েছে।

ফেনী জেলায় বন্যায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দেড় লাখ মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে করে খাবার পাঠানো হচ্ছে। জেলায় একটি এবং ছয় উপজেলায় ছয়টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি সাতটি হাসপাতালে মেডিকেল ক্যাম্প চালু রয়েছে।

এ ছাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসাদুলল্লা হিল গালিব জানান, ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালের আউট ডোরে পাঁচজন ডাক্তার ও জরুরি বিভাগে বিনামূল্যে বন্যা কবলিত মানুষকে চিকিসা সেবা দিচ্ছেন। এ ছাড়া বিনামূল্যে ১০ শয্যার একটি ডায়রিয়া ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে এবং কিছু সিজার অপারেশনের রোগীর চিকিসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর