শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

দুদক চেয়ারম্যান:

দুদকে যারা চাকরি করে, তারা ভিন্ন গ্রহ থেকে আসেনি

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৫ মে ২০২৪, ১৭:৪৮

টাকা পাচারের অপরাধে প্রণীত মানি লন্ডারিং আইনের ২৯ টি ধারার মধ্যে মাত্র একটি ধারায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্যবস্থা নিতে পারে। বাকি ২৮ টি ধারায় অপরাধ সংগঠিত হলেও দুদকের কিছুই করার নেই।

শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘দুর্নীতি দমনে নাগরিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ এসব কথা বলেন।

হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানি লন্ডারিং যে অপরাধ বাংলাদেশে আছে, এর ২৯ টি অপরাধের মধ্যে শুধু একটিমাত্র ধারার অপরাধ দুর্নীতি দমন কমিশনের দেখার দায়িত্ব। বাকি ২৮ টি অপরাধ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশনের কিছুই করার নেই। মানিলন্ডারিং হলেই দুর্নীতি দমন কমিশন কিছুই করতে পারবে না। সরকারি কর্মচারী যদি মানিলন্ডারিং করে, তাহলে সেটা দেখতে পারে। বাকি ক্ষেত্রে যে মানিলন্ডারিং হচ্ছে, সেটার দায়িত্ব দেখার দায়িত্ব দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে সুযোগ তেমন একটা নাই'।

তিনি বলেন, সাধারণ লোকজন যেসব দপ্তরে যায়, সেখানকার দুর্নীতি প্রকাশ পায়। কিন্তু যেসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির বিষয়ে কেউ জানেও না এবং মিডিয়াতেও দেখি না।

কারো নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে উইন উইন সিচুয়েশনে দুর্নীতি হয়। সেখানে নিজে দশ কোটি টাকা লাভ করবে, সরকারের কর্মচারী হয়তো ১০, ২০ লাখ টাকা। সেখানে কোনো অভিযোগ আসে না, মিডিয়াও আসেনা, প্রমাণও থাকে না। আর যদি প্রমাণও আসে, দুর্নীতি দমন কমিশন এগুলোর প্রমাণ (নথি) পায় না এবং আপনারা ভাবেন যে দুর্নীতি দমন কমিশন দায় মুক্তি দিয়েছে।

চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে যারা চাকরি করে, তারা ভিন্ন গ্রহ থেকে আসেনি। তারাও ভালো-মন্দ সব জায়গায় আছে। গত দুই বছরে দুদকের ৩০ জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। কারও চাকরি গেছে, কাউকে নিচের পদে নামিয়ে দেওয়া সহ বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কার্যক্রম চলছে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোর্শেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন, এটিএন নিউজ টিভির প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জ. ই মামুন, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন প্রমুখ।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর