শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

চীনের চাপের মধ্যেই শপথ নিলেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২০ মে ২০২৪, ১৩:২৩

তাইওয়ানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন লাই চিং-তে। তাইওয়ানের ওপর চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপের মধ্যেই আজ সোমবার (২০ মে) শপথ নেন তিনি।

তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে থাকে চীন। ৬৪ বছর বয়সী লাইকে ‘ভয়ংকর বিচ্ছিন্নতাবাদী’ হিসেবে অভিহিত করে থাকে তারা।

বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন লাই। সাই ইং আট বছর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনকালে চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি হয়েছে। কারণ, সাই ইং বরাবরই চীনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে এসেছেন।

সাই ইংয়ের মতো লাইও তাইওয়ানের গণতন্ত্র রক্ষার পক্ষে সোচ্চার। অতীতে তিনি নিজেকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার জন্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে পরবর্তী সময় তিনি সুর কিছুটা নরম করেন। বলেন, তাইওয়ান প্রণালি এখন যে অবস্থায়, সে অবস্থা তিনি বজায় রাখবেন। এর মানে হলো তাইওয়ানের সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে, কিন্তু আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করা হবে না।

আজ (২০ মে) তাইপেতে জাপানি ঔপনিবেশিক যুগে নির্মিত প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ভবনে শপথ অনুষ্ঠান হয়। লাই প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট শাও বাই খিমও শপথ নেন। লাই এবং শাও—দুজনই ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) সদস্য।

অনুষ্ঠানে আটজন রাষ্ট্রপ্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, কানাডাসহ ৫১টি আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাইওয়ানের কূটনৈতিক স্বীকৃতির অভাব আছে। মাত্র ১২টি দেশের সঙ্গে তাদের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে। তবে তাদের নিজস্ব সরকার, সেনাবাহিনী ও মুদ্রা আছে। তাইওয়ানের জনসংখ্যা ২ কোটি ৩০ লাখ। তাদের বেশির ভাগই মনে করে, চীনাদের থেকে আলাদা করে তাদের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় আছে।

সাই ইং ওয়েনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে লাইও প্রতিরক্ষা খাতে খরচ বাড়াবেন এবং গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে কাজ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ও অস্ত্র সরবরাহকারী।

বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। লাইয়ের শপথ অনুষ্ঠানের আগে তাইওয়ানে চীনের কার্যালয় থেকে বলা হয়, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা ও প্রণালিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা আগুন ও পানির মতো।’

প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দেওয়া ভাষণে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামরিক ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন লাই।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর