শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

১০০ দিনের মশক নিধন অভিযান শুরু চসিকের

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
২২ জুন ২০২৩, ১২:৩৭

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে ১০০ দিনের ‘মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে চসিক।

 

বুধবার (২২ জুন) সকালে চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের সামনে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

 

মেয়র বলেন, চসিক উদ্যোগ নিয়েছে ওষুধ ছিটানোর।

 

আমাদের দেড় হাজার কর্মী কাজ করছে। এবার একটা ড্রোন দিয়ে ছাদবাগানে নজরদারি করবো। জরিমানা ও শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছি। জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়। পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে। পাঁচ মাসের পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ আছে। বিমানবাহিনী থেকে যে ওষুধ কিনেছি তার রিপোর্ট পেয়েছি। আমাদের কর্মীরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যাবে। সবাই সহযোগিতা করবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, ডেঙ্গু চোখ রাঙাচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেওয়ায় ক্রাশ প্রোগ্রাম নিয়েছি। এক কাপ পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়তে পারে। তাই টনে টনে ওষুধ ছিটালেও গণসচেতনতার বিকল্প নেই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ সাজেশন অনুযায়ী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মশার ওষুধ কিনেছি। আগের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাই সন্দেহের কারণ নেই। আমি মশক নিধন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছি। সারা বছর মশক নিধন কার্যক্রম চলবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর