শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

টিকটকে প্রেম, মাদারীপুরে এসে ইন্দোনেশীয় তরুণীর বিয়ে

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪:১২

ইন্দোনেশিয়ার তরুণী ইফহা। কাজের সুবাদে সিঙ্গাপুরে থাকার সময় টিকটকে তাঁর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার শামীম মাতবরের। দুই বছরের প্রেমের পরিণতি হলো ২৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার—উপজেলার বড় কেশবপুর গ্রামের শামীম ও ইফহা বিয়ে করেন।

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ২০১৮ সালে শামীম সিঙ্গাপুর যান। সেখানে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় ইন্দোনেশিয়ার তরুণী ইফহার সঙ্গে। মা-বাবা ইন্দোনেশিয়ায় থাকলেও ইফহা সিঙ্গাপুরে অনলাইনে কসমেটিকসের ব্যবসা করেন। দুই বছর প্রেমের পর ইউটিউবে বাংলাদেশে বিয়ের ধরন পছন্দ হওয়ায় তিনি শামীমের বাড়িতে এসে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।


গত ৩০ জানুয়ারি শামীম মাতবর দেশে আসেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি আসেন ইফহা। গত বৃহস্পতিবার গায়েহলুদ এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি শামীমের বাড়িতে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

বিদেশি বউ দেখতে বহু মানুষ ভিড় করছেন শামীমের বাড়িতে। শামীম মাতবরের আত্মীয় সালমা আক্তার বলেন, ‘আমরা ফোনে ইফহার সঙ্গে বিভিন্ন সময় কথা বলেছি। মেয়ে খুবই ভালো। তাঁর ব্যবহার আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছে।’

শামীম মাতবরের বাবা লাল মিয়া মাতবর বলেন, ‘বিদেশি মেয়েকে আমার ছেলে পছন্দ করেছে। মেয়েও ছেলেকে পছন্দ করে। দুজনের পছন্দই আমার পছন্দ। সবাই মিলে আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে। এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে?’


প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ইফহা বাংলাদেশের মেয়েদের মতো পোশাক পরতে শুরু করেন বলে জানান বর শামীম মাতবর। তিনি বলেন, ‘আমরা দুজন দুজনকে ভালোবেসে বিয়ে করতে পেরেছি। সবাই আমাদের মেনে নিয়েছে। এটাই আনন্দের।’

এই বিয়েতে খুব খুশি ইফহা। তিনি বলেন, ‘আমি খুবই খুশি শামীমকে পেয়ে। ও খুবই ভালো মনের মানুষ। শামীমের মা-বাবাও অনেক ভালো মনের মানুষ। আমরা খুব তাড়াতাড়ি সিঙ্গাপুরে চলে যাব। সেখান থেকে ইন্দোনেশিয়ায় বেড়াতে যাব মা–বাবার কাছে।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর