শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

নতুন পথে ঢাকায় ইয়াবা আনা হচ্ছে: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২৩ জানুয়ারী ২০২৪, ১৫:০৫

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪১ হাজার ৯০০টি ইয়াবা বড়িসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাঙামাটি ও বান্দরবানের কয়েকজন বাসিন্দা মিলে একটি চক্র গড়ে ঢাকায় ইয়াবা নিয়ে আসছিলেন। আরেকটি চক্র টেকনাফ থেকে ইয়াবা নিয়ে যশোরে যাচ্ছিল।


রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ে আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সেখানে অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ইয়াবার প্রচলিত রুটের বাইরে রাঙামাটি ও বান্দরবানের রুট ব্যবহার করে ইয়াবা ঢাকায় আনা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পাহাড়িদের ব্যবহার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে মাদক পরিবহনের সময় গাড়িতে সাইরেন ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সাধারণত বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ব্যবহার করে।


মজিবুর রহমান পাটোয়ারী আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ভাগনে ও মামি মিলে একটি চক্র গড়ে তুলেছিলেন। তাঁরা চলাচলের সময় গাড়িতে পারিবারিক আবহ তৈরি করে ইয়াবা পাচার করতেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ওমং তইন চাকমা (৪০), কেরামা চাকমা (৩৫), পাইয়াদীবী চাকমা (১৯), বামাংথাই চাকমা (২৯), আলী হায়দার (২৭), মুমিনা খাতুন (৪৪), মো. দিদার হোসেন (২৫), মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৪), মো. মনির হোসেন (২৩)। তাঁদের মধ্যে মুমিনা খাতুন আলী হায়দারের মামি।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর