শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার? সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা
  • সাংবিধানিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত? রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
  • ‘এক-চীন নীতি’ পুনর্ব্যক্ত, কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার অঙ্গীকার
  • সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, প্রার্থী নির্বাচন আরও বিস্তৃত হতে পারে
  • ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইস্যুতে অনলাইন উত্তাপ, জামায়াত আমিরের পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • গুণীজনদের হাতে একুশে পদক, বিকেলে বইমেলার দ্বার উন্মোচন
  • নতুন সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং অধ্যাদেশ উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম
  • কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামী
  • দায়িত্ব ছাড়ার পর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু
  • সংসদের আগে না পরে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন আলোচনা

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১১০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৩:২৯

বাংলাদেশের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) প্রোগ্রামের উন্নয়নে ১০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা এক হাজার ১০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা হিসেবে)।


শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এডিবির বাংলাদেশ অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিনে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এডিবি জানায়, প্রকল্পটি বাংলাদেশের শীর্ষ তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, সফটওয়্যার প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি ডিগ্রি প্রোগ্রামগুলোকে আপগ্রেড করবে। এডিবির এই অর্থে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রামগুলোকে আপগ্রেড করা হবে। প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে শেখার কৌশল নেওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স এবং ইন্টারনেট অব থিংসের মতো সর্বশেষ প্রযুক্তিগুলোকে একীভূত করবে।

এডিবি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় তিনটির আধুনিক শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষাগার স্থাপন, সহযোগিতা; স্টার্ট-আপ স্পেস এবং সহায়ক সুবিধাদি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে। এই সুবিধাগুলো জলবায়ু, দুর্যোগ-স্থিতিস্থাপক নকশা, শক্তি এবং জল-সংরক্ষণ বৈশিষ্ট্যগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এছাড়া নারীবান্ধব সুযোগ-সুবিধা এবং পরিষেবাগুলো অন্তর্ভুক্ত করবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন শিক্ষামূলক পদ্ধতি এবং উদীয়মান ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে শিক্ষকদের সক্ষমতা তৈরি করবে।

ঋণ অনুমোদন প্রসঙ্গে এডিবির সোশ্যাল সেক্টর ইকোনমিস্ট রিওতারো হায়াশি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তি গ্রহণকে ত্বরান্বিত করতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য উচ্চশিক্ষায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামকে উন্নীত প্রয়োজন। এই প্রকল্পটি আরও দক্ষ এবং প্রযুক্তি-সচেতন স্নাতক এবং উদ্যোক্তাদের বিকাশে সহায়তা করবে। যারা দেশের আইটি শিল্পকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর